র্সবশেষ শিরোনাম

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

ভারতের সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে ধোলাই

আবু জাফর মাহমুদ: ভারতের সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পররাষ্ট্র নীতির তীব্র সমালোচনা করল প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। ৩ জুলাই বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা আনন্দ শর্মা ভারতের প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির কথা উত্থাপন করেন। আনন্দ শর্মা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ক্রেডিট নেয়া প্রসঙ্গে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় যাওয়ার পর বলেন, ভারতের ক্ষমতার সামনে বিশ্ব মাথা নত করেছে। বিশ্ব ভারতের ক্ষমতাকে মেনে নিয়েছে, তাকে স্বীকার করে নিয়েছে। আনন্দ শর্মা বলেন, ‘ভারতের শক্তিকে তো বিশ্ব মেনে নিয়েছে কিন্তু পাকিস্তান মানছে না। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর অনেক ঘটনা ঘটেছে যা বন্ধ হচ্ছে না। ১৯৭১ সালে সেনাবাহিনী বড় জয় পেয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নরেন্দ্র মোদীর মতো এ ধরণের কোনো বিবৃতি দেননি।’
তিনি বলেন,‘পাকিস্তান ইস্যুতে সরকারের নীতি স্পষ্ট নয়। প্রথমে আলোচনার কথা বলা হল কিন্তু একবারেই তা শেষ করে দেয়া হলো। এমন কী হয়েছিল যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আফগানিস্তান সফর থেকে ফেরার সময় লাহোরে চলে যেতে হয়েছিল? প্রধানমন্ত্রী যখন পাকিস্তানের মাটিতে পা রাখেন, তখন তিনি সালামি বা গার্ড অব অনার পাননি বরং উপহারস্বরূপ সন্ত্রাসী হামলা পেয়েছেন।’ তিনি বলেন, ৬৫ বার বিদেশ সফর করে কী ফল পাওয়া গেছে, সংসদে প্রধানমন্ত্রীর তা জানানো উচিত।
আনন্দ শর্মা বলেন, ‘ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার দাবি ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ভারতকে এধরণের দাবি করা উচিত নয়। আমরা পাকিস্তানকে একঘরে করে দিয়েছি বলে প্রচার করা হচ্ছে। এ ধরণের কথাই বা কেন বলা হচ্ছে? একটি দায়িত্বশীল দেশ এধরণের বিবৃতি দেয় না। পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে কী ভালো সম্পর্ক নেই? পাকিস্তান কী বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মহড়া চালায় নি?’আনন্দ শর্মা বলেন, ‘প্রতিবেশি নেপালের সঙ্গে আমদের সম্পর্ক বেশ জটিল। সেখানকার সমস্যা বোঝা প্রয়োজন। আমাদের এমন কিছু করা উচিত নয় যাতে নেপালের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়। নেপালের সঙ্গে আমাদের পদক্ষেপ বড়ভাইয়ের মতো হওয়া উচিত নয়।’
শ্রীলংকার সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার তাদের ঠিকভাবে হ্যান্ডেল করতে পারছে না। আনন্দ শর্মা বলেন, চীন পাকিস্তানে বন্দর তৈরি করছে, মালদ্বীপ হাতের বাইরে চলে গেছে। আমরা তাদের সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছি না। আনন্দ শর্মা বলেন, ‘দোকালাম ইস্যুতে চীনের অবস্থান খুব আক্রমণাত্মক ও তাদের বিবৃতি খুব উদ্বেগের। চীনা প্রেসিডেন্ট দু’বার ওই ইস্যুতে বিবৃতি দিয়েছেন। কিন্তু ভারতের জবাব কী?’ প্রধানমন্ত্রী ওই ইস্যুতে চুপ থাকতে পারেন না বলেও আনন্দ শর্মা মন্তব্য করেন।
চীনা দাঁতে দাঁত ঘষছে।
সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহার না করলে মারাত্মক পরিণতি বরণ করতে হবে বলে ভারতকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে চীন। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৩ অগাষ্ট বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, সীমান্তে ভারতীয় সেনা সমাবেশ অবশ্যই শান্তির জন্য নয়। যদি তারা শান্তি চায় তাহলে শিগগিরি এসব সেনা সরিয়ে নিত হবে। চীনের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ জিনসং বলেছেন, “তৃতীয় পক্ষ ভুটানের নিরাপত্তার অজুহাত তুলে ভারতীয় সেনাদের সীমানা রেখা পার হওয়া বেআইনি।”
এর আগে, গত মাসে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ভারতকে কোনো রকম মোহাচ্ছন্ন না হওয়ার জন্য হুঁশিয়ার করে দিয়েছে। চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র উ কিয়ান ২৪ জুলাই এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতকে উদ্দেশ করে বলেন, নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষা করবেন না এবং কোনো অলীক স্বপ্নের পেছনে ছুটবেন না। চীনা গণমাধ্যমও সতর্ক করে বলেছে, বাড়াবড়ি করলে ভারতকে ১৯৬২ সালের চেয়ে খারাপ পরাজয়ের মুখ দেখতে হবে।
বিতর্কিত সীমান্তে অবৈধভাবে চীনের সেনা প্রবেশের বিষয়ে অজুহাত তৈরির জন্য ভারতকে অভিযুক্ত করেছে চীন। দেশটি বলেছে, ভারতের এ মিথ্যা অজুহাতের পরও বেইজিং অনেক ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “ভারতের সেনারা এখনো চীনের ভূখন্ডে রয়েছে। চীন ধৈর্য ধরলেও এসব সেনাকে দ্রুত সরিয়ে নেয়ার দাবি করে আসছে। কিন্তু ভারত তার ভুল সংশোধন করার জন্য সত্যিকার অর্থে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয় নি বরং সেনা মোতায়েন রাখার পক্ষে নানা ধরনের মিথ্যা অজুহাত তৈরি করছে।”
লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক

 

এ রকম আরো খবর

রাষ্ট্র থাকলো কি গেলো কিচ্ছু যায় আসেনা

আবু জাফর মাহমুদ: রাষ্ট্রশাসন, প্রশাসন, বিচার, আইনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তারবিস্তারিত

বিএনপিকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে

সামসুল ইসলাম মজনু: বাংলাদেশের রাজনীতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি একটি অপরিসীমবিস্তারিত

  • এক শাসক, এক দেশ
  • আসামই কি বাংলাদেশী হিন্দুদের ডাম্পিং গ্রাউন্ড?
  • অতিরাজনীতিই রাজনীতিকের মহাপাপ
  • মার্কিন দূতাবাস এবং বাংলাদেশী রাজনীতি
  • ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বসন্তকালীন মিটিং ও কিছু অম্লমধুর স্মৃতি
  • আরেকটি উইকেটের পতন! বিদায় ডেভিড শালকিন
  • অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের শান্তি
  • এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম
  • এক স্লিপ
  • রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ বনাম ছাত্র-মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
  • সুস্থ রাজনীতির অভাবে সৈয়দ আশরাফ অসুস্থ!
  • নেতানিয়াহুর গ্রেফতার দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল ইজরাই
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.