র্সবশেষ শিরোনাম

শনিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৮

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

বাসদ নেতা মাহবুবুল হক আর নেই

কানাডা: বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) আহ্বায়ক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা বীর মুক্তিযোদ্ধা, খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ আ ফ ম মাহবুবুল হক আর নেই। শুক্রবার ( ১১ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০.১৫টায় কানাডার অটোয়ার সিভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুনোগ্রাহী রেখে যান। গত ২৬ সেপ্টেম্বর কানাডার সময় সন্ধ্যায় ৭.৩০টায় সাবেক আপোষহীন ছাত্রনেতা কমরেড আ ফ ম মাহবুবুল হক ব্রেইন হেমারেজ হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
কমরেড আ ফ ম মাহবুবুল হক গত ২০০৪ সালের ২৫ অক্টোবর ঢাকায় অজ্ঞাত ঘাতকদ্বারা আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায় তিনি দেশে চিকিৎসা শেষে সর্বশেষ কানাডায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।
তিনি ১৯৪৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার মৃত ফজলুল হক, মাতা মরিয়ামেন নেছার ৬ মেয়ের মধ্যে ১ ছেলে আ ফ ম মাহবুবুল হক। এসএসসি ও এইচএসসিতে তিনি মেধার তালিকায় স্থান করে পাশ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতির ছাত্র ছিলেন।
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মাহবুব ও বাসদ খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণসংহতির নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) আহ্বায়ক কমরেড আ ফ ম মাহবুবুল হকের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা আ ফ ম মাহবুবুল হক ১৯৬২ সালে স্কুল জীবনে শরীফ কমিশনের প্রতিক্রিয়াশীল শিক্ষানীতি বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন ও পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন। তিনি ১৯৬৭-৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ সূর্যসেন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ৬৮-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্থান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য, ’৬৯-৭০ সালে কেন্দ্রীয় সহ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বি এল এফ’র অন্যতম প্রশিক্ষক ও পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ’৭৩-’৭৮ পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৮-৮০ সালে ‘জাসদ’ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ১৯৮০ সালের শেষের দিকে ‘বাসদের’ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হন।
১৯৮৩ সালে বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নিযুক্ত হন। আপোষহীন এই নেতা ১৯৬৮ সালে প্রথম কারাবরণ করেন। ’৭৬-৭৮ সাল পর্যন্ত পুনরায় রাজবন্দি হিসাবে কারাগারে কাটান। ১৯৮৬ সালে আবার কারাবরণ করেন। ১৯৯৫ সালে ঋণখেলাপী কালোটাকার মালিকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হন।

 

এ রকম আরো খবর

শনিবার মওলানা ভাসানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক: শনিবার ১৭ নভেম্বর আফ্রো-এশিয়া ল্যাতিন অমেরিকার অবিংবাদিতবিস্তারিত

বিএনপির পাশে চীন, অভিযোগ হাসিনার দলের

নয়াদিল্লি: ভোটের ঘণ্টা বেজে যাওয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় এ বারবিস্তারিত

  • এম এম শাহীনের বিকল্পধারায় যোগদান
  • কমিউনিটির পরিচিত মুখ জামান তপনের মাতৃবিয়োগ
  • ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন মেলা’য় অগ্রগতির জয়গান
  • হাসিনার সঙ্গে টক্করে এ বার খালেদার পুত্রবধূ?
  • নৌকার মনোনয়ন যুদ্ধে দেবর-ভাবী
  • মনোনয়নপত্র কিনলেন মুহিত-মোমেন
  • আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কার্যক্রম শুরু
  • বিবিসির চোখে : সরকার-ঐক্যফ্রন্ট সংলাপের ফলাফল
  • আদালতে আমি একা কেন? শেখ হাসিনা কোথায়?
  • প্রধানমন্ত্রীকে ১০৪৬ মামলার তালিকা বিএনপি’র
  • ভোট ২৩ ডিসেম্বর
  • সংলাপ কারও কাছে ফলপ্রসূ, কেউ নাখোশ
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.