র্সবশেষ শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৮, ২০১৯

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

বাংলা পত্রিকা’য় কলকাতার গীটার বাদক মার্কো

বাংলাদেশ আমার সেকেন্ড হোম

বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট: কলকাতার গীটার ও হারমোনিকা বাদক তাপস কুমার দত্ত। সঙ্গীত ভুবনে যিনি মার্কো নামেই পরিচিত। কলকাতায় জন্ম। সেই ১৯৭৭ সালে ৭/৮ বছর বয়সে শিশু শিল্পী হিসেবে অল ইন্ডিয়া রেডিও-তে যোগদান। এরপর ইলেক্ট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন-এর উপর ডিপ্লোমাধারী। লেখাপড়ার জন্য মাঝে সঙ্গীত জগত থেকে দূরে থাকেন। পরবর্তীতে কিছুদিন চাকুরী করার পর আবার সঙ্গীত জগতে ফিরে আসা।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিশেন ইউএসএ’র আমন্ত্রণে এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসেছেন। গত ২৫-২৭ মে টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ন্যাশভিল-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বাংলা পত্রিকায় আসেন গত ১ জুন শুক্রবার। বার্তা কক্ষে এই প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে জানান তার সঙ্গীত ভুবনের কথা।
এক প্রশ্নের উত্তরে মার্কো বলেন, ৯০ দশক থেকে পুরোপুরি সঙ্গীত জগতের সাথে সম্পৃক্ত। ছোট বেলার সখ হিসেবে ২০০০ সালে সুরকার হিসেবে যাত্রা শুরু। ২০১৭ সালে কলকাতায় বিভিন্ন শিল্পীর দূর্গা পূজার গানের ২৫টির মতো গাওয়া গান ছিলো আমার সুরকরা। যা রেকর্ড মনে করছি।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের ভালো শিল্পীরা চাচ্ছেন নিজস্বতা গড়ে তুলতে। ফেসবুক ইউটিউব আসার পর শিল্পীর প্রচার সহজ হয়েছে। আগে প্রচারের জন্য প্রচন্ড লড়াই করতে হতো, এখন আর সেই অবস্থা নেই। জানান, অনুষ্ঠান করতে এই প্রথম তার যুক্তরাষ্ট্র আগমন। এর আগে ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ-এ অনুষ্ঠান করেছেন। জানান, বাংলাদেশ আমার সেকেন্ড হোম।
গীতিকার লক্ষিকান্ত রায়-এর লেখা আমার সুর করা আর মহুয়া ব্যানার্জীর কন্ঠে গাওয়া ‘ওগো জন্মভূমি তুমি মা’ অন্যতম একটি জনপ্রিয় গান। গানটি দেশ মাতৃকা নিয়ে তৈরী। যেকোন দেশেরই নাগরিক গানটি তার দেশের জন্য গাইতে পারবে। এছাড়াও অসংখ্য গানের সুরকার মার্কো অনেক সিনেমায় যন্ত্র সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশের এলআরবি গ্রুপের গান তার অন্যতম প্রিয় গান।
এক প্রশ্নের উত্তরে মার্কো বলেন, নতুন নতুন গান তৈরী করাই আমার লক্ষ্য। পশ্চিমা গানের দাসত্ব থেকে বাংলা গানকে মুক্ত করতে হবে। বাংলা গানের ঐতিহ্য আর সুর ফিরিয়ে আসতে হবে। বলেন, রাম প্রসাদ, বর্মন, লালন ফকির, আব্বাস উদ্দিন, সলিল চৌধুরী প্রমুখদের গানের ধারাই আলাদা ছিলো। সেই ধারা জাগিয়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, এখন পাঁচ মিশালী গানের ধারা চলছে। ফলে গান আর গান থাকছে না। কার কোন গান তা চেনা যায় না।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মার্কো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাঙালী অডিয়েন্স দারুন লেগেছে। মনে হলো কলকাতার চেয়ে প্রবাসী বাঙালীরাই বেশী বাংলা গান শুনেন।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সস্তা জনপ্রিয়তা নয়, কঠোর অনুশীলন আর গুরু নির্বাচন করেই শিল্পী হতে হবে। হিন্দী গানের জোয়ারে যখন বাংলা গান কোনঠাসা হওয়ার পথে তখন মনের মধ্যে জেগে উঠে বাংলা গান জাগাতে হবে। নতুন সুরে, নতুন গান গাইতে ইচ্ছুক শিল্পীরা তার সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ (কলকাতায় ফোন: ০৯৮৩০৭২০৫৫৪) জানান।

এ রকম আরো খবর

সঙ্গীতশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ আর নেই

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ আর নেই (ইন্নানিল্লাহিবিস্তারিত

২১ ফেব্রুয়ারী ফকির আলমগীরের ৬৯তম জন্মদিন

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক: দেশবরেণ্য গণসঙ্গীতশিল্পী ফকির আলমগীরের ৬৯তম জন্মদিন ২১বিস্তারিত

  • চলে গেলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
  • এফডিসি ও ঢাকার নাটকপাড়া এখন শূন্য : সব নায়িকাই এমপি হতে চায়
  • শীতের নিউইয়র্ক গরম করলেন নগর বাউল জেমস
  • বহুমাত্রিক আমজাদ হোসেন
  • গোলাপীদের আর দেখবে কে
  • সুনসান নীরবতা, স্তব্ধ পুরো বাড়ি
  • চলে গেলেন আমজাদ হোসেন
  • মিডিয়ার মুখোমুখী নায়িকা জয়া আহসান
  • বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৫ম জেমিনি স্টার অ্যাওয়ার্ড বিতরণ
  • ঠান্ড নিউইয়র্ক-কে কাঁপানোর চেষ্টা করবো : শো ২৩ ডিসেম্বর
  • এটিএন বাংলার ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান কমেডি আওয়ার ৭ম বর্ষে
  • বাংলাদেশের গায়িকারা
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.