র্সবশেষ শিরোনাম

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

এখন থেকে ফুল ফিউনারেল সার্ভিস

পার্কচেষ্টার মসজিদের উদ্যোগে লাশ বহনকারী গাড়ী ক্রয়

বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট: পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের উদ্যোগে একটি লাশ বহনকারী গাড়ী ক্রয় করা হয়েছে। গত ২০ জুলাই কানেকটিকাট থেকে কারটি নিয়ে আসেন মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আম্বিয়া মিয়া, ফিউনারেল সম্পাদক মোঃ নুরুল আহিয়া সহ মসজিদ কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দ। সন্ধ্যায় গাড়ীটি নিয়ে মসজিদের সামনে এসে পৌছলে বিপুল সংখ্যক অপেক্ষমান মুসুল্লি হর্ষধ্বনীর মাধ্যমে তাদের অভিনন্দন জানান।
উল্লেখ্য পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের নিজস্ব কবরস্থান রয়েছে। আছেমসজিদের ভিতরেই লাশ রাখার জন্য হিমাগার। এতদিন হাসপাতাল থেকে ডেড বডি সংগ্রহ, কবর স্থান অথবা এয়ারপোর্টে লাশ পরিবহনের জন্য বাইরের ফিউনারেলের সাহায্য নিতে হতো। এখন নিজস্ব লাশ বহনকারী গাড়ী থাকার ফলে অন্য কারো মুখাপেক্ষী হতে হবে না।
এ ব্যাপারে ফিউনারেল সেক্রেটারী নুরুল আহিয়া বাংলা পত্রিকাকে জানান, ২০১১ মডেলের হার্টস কাটলিউ গাড়ীটি নগদ ৪৬,১০০ ডলারে ক্রয় করা হয়েছে। লাশ বহনের জন্য দুটা স্ট্রেচার ক্রয় করা হবে। সব মিলিয়ে ৫০ হাজারের উপর খরচ হবে। নুরুল আহিয়া আরো জানান, লাশ বহনকারী গাড়ীটি ক্রয় করার পর এখন থেকে আমাদের মসজিদে ফুল সার্ভিস ফিউনারেল চালু হলো। তাছাড়া আগামীতে লাশ বহনকারী খাটিয়া গাড়ী থেকে নামিয়ে নীচের বেসমেন্টে নেয়ার জন্য একটি এলিভেটর লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে আরো প্রায় ১২ হাজার ডলার ব্যয় হবে।
মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আম্বিয়া মিয়া বলেন, আমরা মুসুল্লি এবং এলাকাবাসীর কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছি। তিনি তাদের প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশীদের পরিচালনায় যে কয়েকটি মসজিদ আছে তার অন্যতম হচ্ছে পার্কচেষ্টার জামে মসজিদ ও ইসলামী সেন্টার। ১৯৮৮ সালে ভার্জিনিয়া এভিনিউতে নান্দনিক নির্মান শৈলীতে নির্মিত এই মসজিদটি সকলের নজর কাড়ে।
কালো আফ্রিকান অধ্যুষিত পার্কচেষ্টারে এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হবার পর এক কথায় বলা যায় আমুল পরিবর্তন হয়েছে এখানকার পরিবেশ। সন্ধ্যার পর এই এলাকায় যখন ভেবেচিন্তে লোকদের চলাচল করতে হতো সেখানে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হবার পর পাঁচ ওয়াক্ত মুসুল্লিদের আনাগোনায় সমাজ বিরোধীদের যেমন একদিনে এলাকাছাড়া করেছে তেমনি এলাকার পরিস্থিতিতে এসেছে পরিবর্তন। মাদক বিক্রেতা, মাদকাসক্তদের টিকিটিও এখন আর আশে পাশে দেখা যায় না।
এছাড়া মসজিদে প্রতিদিন নামাজের পর বয়ান, সামারে বাচ্চা ও বয়স্কদের জন্য ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের সামার স্কুল, মৃতদেহের গোসল থেকে দাফন কাফন পর্যন্ত সমুদয় কর্মকান্ড দ্বায়িত্ব নিয়ে করার ফলে সাধারণ জনগনের কাছে মসজিদটির গ্রহনযোগ্যতা খুবই বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া মসজিদের বেসমেন্টে সুপরিসর হলরুম ও এলাকার জনগনের দীর্ঘদিনের চাহিদা মিটিয়েছে।

এ রকম আরো খবর

  • ঢাকা’র সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ২৮ সেপ্টেম্বর
  • শিল্পকলা একাডেমী ইউএসএ’র ইনক ষষ্ঠ বর্ষপূর্তি উদযাপন
  • ‘এ-এইচ ১৬ ড্রিম ফাউন্ডেশন’র স্কুল সাপ্লাই বিতরণ
  • অটোয়ায় ৩২তম ফোবানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
  • এনএবিসি কনভেনশন ৩২তম না দশম?
  • বোস্টনে ‘৩২তম’ নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশ কনভেশন অনুষ্ঠিত
  • হাসান জিলানীর মাতৃবিয়োগ
  • খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবীতে নিউইয়র্কে সমাবেশ
  • বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন : মুখোমুখি দুই প্যানেল : মনোনয়ন ফি বাবদ আয় ৯৪ হাজার ৫০০ ডলার : স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল-সোহেল
  • বিএমএএনএ’র নতুন কমিটি
  • জেএফকেতে গনঅভ্যর্থনার প্রস্তুতি: কমিটি নিয়ে চলছে কানাঘোষা : ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবর্ধনা
  • উত্তর আমেরিকায় পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.