র্সবশেষ শিরোনাম

বুধবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৮

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

মিথ্যা অপপ্রচার ও আমাদের বক্তব্য

বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট: অতি সম্প্রতি একটি চিহ্নিত মহল সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সাম্প্রতিক বই বিতর্কে টাইম টেলিভিশন ও এর প্রধান আবু তাহেরকে জড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের অহেতুক ভূয়া ভিত্তিহীন খবর প্রকাশ করছে। একটি হোমমেইড নাম পরিচয়হীন ভিডিওতে বিভিন্নজনের সাথে জড়িত করা হয়েছে টাইম টেলিভিশনের নাম।
আমরা মিথ্যা,ভিত্তিহীন এধরনের চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। টাইম টেলিভিশন দ্যার্থহীনভাবে বলতে চায় যে, বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের পৃষ্টপোষকতা বা সমর্থন আমাদের মিশন বা ভিশন নয়।
একান্তই সংবাদ মাধ্যম হিসেবে খবর পরিবেশন করাই হচ্ছে আমাদের কাজ। বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দল বা গোষ্টির সুবিধভোগিও নই আমরা। ষড়যন্ত্র করা কোন সংবাদ মাধ্যমের কাজ নয়। অতি সম্প্রতি একটি মহল টাইম টেলিভিশন ও বাংলা পত্রিকার জনপ্রিয়তায় ইর্শ্বান্নিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে মেতে উঠেছে।
আমরা পরিস্কারভাবে বলতে চাই যে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর ঘটনার পেছনের ঘটনা জানার জন্য একটি জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম হিসেবে আমরা একাধিকবার তার সাথে যোগাযোগ করেছি তার একটি সাক্ষাতকারের জন্য।
এক্ষেত্রে এস কে সিনহা বার বার বলেছেন তিনি বই লেখার কাজে ব্যস্ত। লেখা শেষ হওয়ার পরই সাক্ষাতকারের বিষয়টি চিন্তা করবেন তিনি।
বইটি শেষ হওয়ার পর এস কে সিনহা বিবিসিকে সাক্ষাতকার দিয়েছেন প্রথম। এই অবস্থায় তার সাথে আবারো যোগাযোগ করা হলে তিনি তার নিউজার্সীর বাসায় টাইম টেলিভিশনকে সাক্ষাতকার দিতে রাজী হন। যে সাক্ষতকারটি অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে লক্ষ লক্ষ দর্শকদের সামনে পরিবেশন করেছে টাইম টেলিভিশন।
একটি গনমাধ্যম হিসেবে দর্শক শ্রোতাদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই সাক্ষাতকারটি প্রচার করা হয়েছে। এর বেনিফিশিয়ারী কে এটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়।
একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের দায়বদ্ধতা হচ্ছে পাঠক বা দর্শকদের কাছে। কোন রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠির স্বার্থে কোন খবর বা অনুষ্ঠান প্রচার আমাদের নীতিমালা পরিপন্থী।
বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে বিচারপতি এস কে সিনহা তার মতামত স্পষ্টভাবেই তুলে ধরেছেন টাইম টেলিভিশনে প্রচারিত সাক্ষাতকারে। যেখানে তিনি যুদ্ধাপরাধের বিচারে কোর্টের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে এটাকে স্বচ্ছ বলে মন্তব্য করেছেন।
আমরা আবারো বলতে চাই একটি মিডিয়া হিসেবে দর্শক শ্রোতা পাঠকদের চাহিদা ও সাংবাদিকতার নীতিমালাকেই মেনে চলবে টাইম টেলিভিশন ও বাংলা পত্রিকা।
এক্ষেত্রে কারো কুমন্ত্রনা বা অপ্রপ্রচার কোনভাবেই আমাদের নীতিমালা থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।
যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে আইনের দেশ। এখানে প্রত্যেকের মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে এদেশের সংবিধান। তবে তথ্য প্রমান ছাড়া কেউ যদি টাইম টেলিভিশন, বাংলা পত্রিকা বা এর কোন কর্মকর্তাকে নিয়ে মিথ্যা,অহেতুক ও বিভ্রান্তিকর খবর বা বিবৃতি প্রকাশ করেন তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেবে বাংলা পত্রিকা ও টাইম টেলিভিশন।

এ রকম আরো খবর

এবিবিএ’র নতুন সংগঠনিক কমিটি গঠিত

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘আমেরিকান-বাংলাদেশী বিজনেস অ্যালায়েন্স-এবিবিএ’রবিস্তারিত

নাসাউ কলিসিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানাই আসল ফোবানা

নিউইয়র্ক: আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্রের লেবার যে উইকেন্ডে বিশ্বের রাজধানী খ্যাতবিস্তারিত

  • ফোবানা’র ‘ট্রেড মার্ক’ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়
  • ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন বিশ্বব্যাপী জোরদার করতে হবে
  • সাংবাদিক মামুনের ছোট্ট কন্যার মৃত্যুতে নিউইয়র্ক প্রেসক্লাবের শোক
  • নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মমিন মজুমদারের মাতৃবিয়োগ
  • নিউইয়র্কে বিপুল উৎসাহে থ্যাংকস গিভিং ডে পালিত : টাইম টিভি ও বাংলা পত্রিকায় ব্যতিক্রমী আয়োজন
  • বাংলাদেশ সোসাইটির মামলার নতুন তারিখ ৮ জানুয়ারী
  • এস্টোরিয়ায় প্রতিবাদ সভা ২ ডিসেম্বর
  • তৈয়বুর রহমান টনির ভ্রাতৃবিয়োগ
  • এনওয়াইপিডিতে বাংলাদেশী অফিসারদের প্রশংসা
  • বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী
  • যেকোন মূল্যে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই কাম্য
  • এস্টোরিয়ায় বাংলাদেশী গ্রোসারীতে ডাকাতি ॥ একজন গুলিবিদ্ধ
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.