র্সবশেষ শিরোনাম

শনিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৮

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

ভোট দেবো, হবো সংগঠিত

আবু জাফর মাহমুদ: আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসছে। নির্বাচন হবে ৬ নভেম্বর মঙ্গলবার। এই নির্বাচনে সেনেট এবং কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ হবে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ সহ কতগুলো মৌলিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমেরিকার ভবিষ্যত পথ চলার সিদ্ধান্ত।
এরই মধ্যে সাবেক ডেমোক্র্যাট সরকারের মুখ্য প্রধান ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন জাগানো ঘটনা চালু হয়েছে এবং নির্বাচনে উত্তেজনার তাপ ছড়ানো হচ্ছে। আমেরিকার রাজনীতির নেতৃত্ব পর্যায়ে এই ঘটনাগুলো আভাস দিচ্ছে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে পায়ে দলনের আশংকা বৃদ্ধি হবে ট্রাম্পের পুনর্বিজয়ের পর। সেই উত্তেজনা ভারত সহ বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষপূর্ণ সমাজে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ উস্কে দেবে। যা বাংলাদেশেও প্রভাবিত করতে বাধ্য।
এফ বি আই জানিয়েছে, ২৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্দেহজনক আরো তিনটি বিস্ফোরক ভর্তি প্যাকেট পাওয়া গেছে। দুটো সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দেলোয়ার ঠিকানায় এবং একটি অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো’র ম্যানহাটন অফিসের ঠিকানায়। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর সমালোচক সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, সাবেক সেক্রেটারী অব ষ্টেট হিলারি প্যাকেট ক্লিন্টনকে একই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারীরা চাইছেন ঘটনার কোন সূত্র জানা থাকলে যেকোন অবস্থান থেকে জনগণ যেনো তাদের জানান।
ইতিমধ্যে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারীতে যেসব প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন তারাই নিউইয়র্কে বিজয়ী হবেন বলে ধারণা হচ্ছে। ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারীতে দলের সদস্যরা তাদের পছন্দের প্রার্থীদেরকে ভোট দিলে যিনি বেশী ভোটারের সমর্থন অর্জন করেছেন, তিনিই এই চূড়ান্ত প্রতিযোগীতায় রিপাবলিকান বা অন্য পার্টির বিপক্ষে লড়বেন।
আমেরিকান সমাজে মানুষের গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ধারণা অনেক স্বচ্ছ এবং নিখুঁত। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভোটারদেরকে অনেক নির্বাচনে দেখলাম তারা দলের প্রার্থীদের বাহিরে বা নিজ দলকে ছাড়া অন্য প্রার্থীকে সাধারণতঃ নিজের প্রতিনিধিরূপে মেনে নেয়না। তবে সমাজ ও দলের শেকড়ের পর্যায়ে এই অভিজ্ঞতার পাশাপাশি দেখেছি দলের আমলা মাফিয়াদের চক্রান্তে কোনভাবে নিবেদিত প্রাণ নেতা বিদ্বেষের শিকার হলে বা অবিচারের শিকার হয়ে দলের আক্রমণের শিকার হলে তাকে আবার ফিরিয়ে আনেন।
নির্বাচনে বড় বড় কর্পোরেট কোম্পানীদের স্বার্থ রক্ষার সিন্ডিক্যাট থাকে। যারা দলের নেতৃত্ব কাঠামো নিয়ন্ত্রণে ভয়ানক প্রভাব রাখেন। এরা সমাজের সাধারণ মানুষদের সুখ দুঃখ নিয়ে মাথা ঘামাননা। বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর অপরাধ সিন্ডিক্যাট খুনি, ড্রাগ ব্যবসায়ী বা ইত্যাকার সাহসী দুঃসাহসীদেরকে কব্জায় রেখে তারা প্রতিপক্ষদের উপর চাপ সৃষ্টির ক্ষমতা রাখেন। দলীয় আমলা বা বৃহৎ কর্পোরেটদের এসব অপকর্ম সম্ভব হয় সমাজের সচেতনায় দুর্বলতা বেশী থাকলে এবং ভূক্তভোগীরা অসংগঠিত থাকার বাস্তবতায়।
আমরা বিগত নির্বাচন এবং আমেরিকার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যেকার কোন কোন বলয়কে দেখছি জাতিগত বিদ্বেষ ছড়িয়ে তাদের রাজনৈতিক ফায়দা সংগ্রহের পথকে রাজনীতিতে জরুরী করে তুলতে চাইছেন ইদানিং। হিংসা বিদ্বেষ বিশেষ করে জাতিগত এবং বর্ণ বৈষম্য আমেরিকার সমাজের ঐতিহ্যের ভেতর অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দিনের পর দিন এই বৈষম্য কমিয়ে আনার জন্যে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ থেকে নীচের পর্যায়ে পর্যন্ত আইন এবং পদক্ষেপের কার্যকারিতা নিরন্তর চালিয়ে আসছেন গবেষক এবং রাজনৈতিক নেতাদের অনেকে।
নিউইয়র্ক রাজ্যে এবং নগর সরকারে মানুষের নাগরিক অধিকার এবং সরকারি নজরে সাম্যের দৃষ্টি বিশেষভাবে আকর্ষণ করেছে বঞ্চিত এবং ভীত সন্ত্রস্থ মানুষদের। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ল্যাটিনো, ইন্দো ক্যারিবিয়ানসহ সব জাতির মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হবার বাতাস চালু হয়েছে। স্থানীয় আদি বাসিন্দা (রেড ইন্ডিয়ান)রা ও অন্যান্য অধিকার বঞ্চিত মানুষদের ব্যাদনার সঙ্গী। এই সকল সংখ্যালঘুরা একত্রিত হতে হবে রাষ্ট্রের স্বীকৃত মানবাধিকার সহ রাজনৈতিক ভোগ কোড়টে পারার অধিকার পাবার লক্ষ্যে।
আমেরিকায় বঞ্চণা ও বিদ্বেষের শিকার জাতিগোষ্ঠীদের সমাজ থেকে বলিষ্ঠ, মেধাবি, জ্ঞানী ও জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধিদের সামান্য উত্থান সহ্য করেনা বড় বড় কর্পোরেট এবং মাফিয়া সিন্ডিক্যাট। এই সিন্ডিক্যাটগুলোর হাত থাকে অনেক দীর্ঘ। এরা অপেক্ষায় থাকে কিভাবে কখন গরীব খেটে খাওয়া মানুষের সমাজ থেকে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা সমাজ কর্মী এবং জনপ্রতিনিধি দের সামনে চলার হাঁটু ভেঙ্গে দেয়া যায়, অচল করে দেয়া যায়। যাতে তারা বড় কর্পোরেট এবং মাফিয়া সিন্ডিক্যাটদের স্বার্থ রক্ষার বাজেট বরাদ্ধের চেয়ে গণমানুষের জীবনযাত্রা সহজ এবং উন্নত করার বাজেট বরাদ্ধে অধিক ভোটের ব্যবস্থা করতে না পারেন।
কেবল রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের প্রতিযোগীতা নয়, ডেমোক্র্যাটদের নিজেদের ভেতরেও এই প্রতিযোগীতা অব্যাহত আছে। সেক্ষেত্রে রাজনীতি এবং প্রশাসনে গণমানুষের স্বার্থ বনাম কায়েমী স্বার্থ পারস্পরিক প্রতিযোগীতায় মুখোমুখি লড়াই করছে। লড়াইরত এই ডেমোক্র্যাটরা নিজেরা একে অপরের শত্রু নন, বরঞ্চ একে অপরের সহযোগী। তবে বর্ণবাদী চিন্তাচেতনা মুক্ত হতে না পারার বাস্তবতায় শক্তিধর ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের সাথে চেতনার দূরত্ব রক্ষা করেননা যদিও তাদের রাজনৈতিক মঞ্চের প্রশ্নে একে অপরের দূরত্ব রয়েছে পরস্পরের বিপরীতে। এই বৈপরিত্ব হচ্ছে ব্যবসা পাওয়ার সুযোগের পথের। ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান কর্পোরেটরা ব্যবসার স্বার্থের মিলামিল হবার ক্ষেত্র বিশেষে একে অপরের ঘনিষ্ট মিত্র।
আমেরিকার বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভয়াল রূপ নেওয়ানোর হুমকি ইতিমধ্যে এসে গেছে। প্রেসিডেন্ট জনপ্রিয়তা হারালে বা মধ্যবর্তী নির্বাচনে তার নিয়ন্ত্রণে সেনেট এবং কংগ্রেস রাখতে ব্যর্থ হলে দেশজুড়ে খুনখারাবির ভবিষ্যত সম্ভাবনার কথা জানিয়ে দিয়েছেন। এই সপ্তাহে সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট, সাবেক সেক্রেটারী অব ষ্টেট এবং অন্যান্য কয়েকজনের ঠিকানায় ডাকযোগে বিস্ফোরক ভর্তি প্যাকেট পাঠানোর ঘটনার সাথে আমেরিকার কেন্দ্রীয় রাজনীতির নয়া রূপের আভাস স্পষ্ট হোয়ে উঠছে বলা যায়। প্রধান পরাশক্তি আমেরিকার রাষ্ট্রপরিচালনায় আভ্যন্তরীন প্রতিযোগীতা সংঘাতে রূপান্তর যেনো না হয় সে প্রশ্নে প্রয়োজন নাগরিক একতার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসেলভেনিয়ায় রাজ্যের সিনাগগে গুলিবর্ষনের ঘটনায় ১১জন নিহত হয়েছেন ও ১২জন আহত হয়েছেন। ২৭ অক্টোবর শনিবার সকালে ইহুদিদের প্রার্থনার সময় এই গুলি বর্ষনের ঘটনা ঘটে। খুবই দুঃখজনক ব্যাদনাবিধুর এই হায়েনিয় কৌশল আমেরিকার সমাজের বুকের গভীরে ক্ষত সৃষ্টি করে দেয়ার আলামত বলে বিশ্বাস করা যায়। রবার্ট বাওনার্স নামের ৪৮ বছর বয়সী এক শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি এই গুলি বর্ষণ করেছেন এবং তাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ঘাতককে গ্রেফতার করতে গিয়ে তিন পুলিশ আহতও হয়েছে।
তবে বাওয়ার্সের ব্যাপারে কিছু প্রকাশ হয়নি। কি কারণে বাওয়ার্স ইহুদিদেরকে তাদের উপাসনালয়ে উপাসনার স্ময়ে হত্যা করেছে তাও রহস্যের মধ্যে থেকে গেছে। এটি একটি নিষ্ঠুর নাটক এবং পরবর্তী কোন প্লটের অংশ নাকি ঘৃণা বিদ্বেষের পরিণতি, তাও প্রকাশ করা হচ্ছেনা এখন পর্যন্ত। হত্যাকারীকে সন্ত্রাসীও কোন মিডিয়া বলছেনা। তাই, ঘটনার বিভীষিকা নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছেতো বাড়ছেই। তবে মানবাধিকার কর্মীরা সহিংসতা এবং ভীতির ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতির জন্যে ট্রাম্পের উগ্র নীতিকে দায়ী করছেন।
আগামী সপ্তাহে মধ্যবর্তে নির্বাচনোপলক্ষ্যে দুর্বল সেনেটরদের জিতিয়ে আনার জন্যে প্রেসিডেন্ট যখন খুবই ব্যস্ত সময় পার করছেন। তখন তার মনোযোগ কমপক্ষে ১০জনকে জিতিয়ে আনা। তারই মধ্যে তিনি ইন্ডিয়ানায় ফার্মিং কনভেনসানে যোগ দিয়েছেন শনিবারে। ঘটনা শোনার পর তিনি বলেছেন, পিটসবার্গে যাবেন। যদিও তিনি সময় নির্দিষ্ট করেননি। ইলিনয় এলাকায় উড়োজাহাজ হেঙ্গারে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণে তিনি বলেছেন আমাদের সবাইকে সেমিটজমের বিরুদ্ধে বিষাক্ততা রুখতে একসাথে কাজ করতে হবে।
ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে ট্রাম্পের অনুগত যে ভক্ত ইতিমধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সাবেক এটর্ণী জেনারেল এরিক এইচ হোল্ডার সহ অন্যন্যদের কাছে বিস্ফোরক ভর্তি প্যাকেট পাঠিয়েছে, তার ও তদন্ত চলছে। এসময় কয়েক মিনিটকাল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বক্তৃতায় সাবেক প্রেসিডেন্সিয়াল পড়োটীপোক্ষ হিলারি ক্লিনটন এবং সেনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন এবং প্রতিনিধি মাক্সিন ওয়াটার্সকে ধোলাই করেছেন সর্বশক্তিতে। তিনি এসময় ইলিনয়ের প্রতিনিধি মাইক বোষ্টকে পুনঃনির্বাচিত করার আহবান জানাচ্ছিলেন।
এসময় তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট, সাবেক সেক্রেটারী অব ষ্টেট এবং অন্যান্য কয়েকজনের ঠিকানায় ডাকযোগে বিস্ফোরক ভর্তি প্যাকেট পাঠানোর অভিযোগে গ্রেফতারকৃত ‘সিজার সেওক জুনিয়ার’ আমার সমর্থক নয়”। সন্দেহভাজন এই দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত এবং ধরে ফেলার কৃতিত্ব এফ বি আই এর।
যাহোক, সবাই ভোট দিতে হবে নির্বাচনে। ভাবতে শিখতে হবে নিজেদের অধিকার এবং রাষ্ট্রস্বীকৃত সুযোগ সম্পর্কে। নিজেদের কাছের মানুষকে ভোট দিতে হবে। এই ভোট দেয়ার সময় ভবিষ্যতের জন্যে সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে ভাবতে হবে। ভোট দিয়ে পপ্রার্থীদেরকে জিতালাম অথবা হারালাম। অথচ প্রার্থী ভোটারকে চিনলোনা, তাতে অর্থ কি দাঁড়ায়? এই বর্ণবাদী সমাজে অপদার্থদের অনুসরণ করে আরো বেশী দুঃখের পাহাড় গড়ার কোন অর্থ হয়না। স্বার্থপর রাজনৈতিক প্রতারকদের উপর নির্ভর না করে নিজেরা প্রার্থীদের সাথে পরিচিত হবার যুক্তিগুলো সামনে নিয়ে আসা দরকার। এটা সম্ভব নিজেদেরকে সংগঠিত করার মাধ্যমে।
নিউইয়র্ক সিটির সব বরোয় বসবাসরত নাগরিকদের সংগঠিত প্রতিষ্ঠান গড়ে আমরা উচ্চকিত নাগরিক কণ্ঠের শব্দের উত্থান ঘটাতে পারি। শীঘ্রই “নিউইয়র্ক সিটি ভয়েস” নামে সংঠনের আতœপ্রকাশের পদক্ষেপ চলছে। এতে ষ্টেট এবং সিটির প্রশাসনে নির্বাচিত কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের নয়া সেতুবন্ধন চালু হবার সম্ভাবনা হচ্ছে উজ্জ্বল। তাই এতে আমরা হতে পারি সংযুক্ত।
(লেখক আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং আমেরিকান রাজনীতিক)।

এ রকম আরো খবর

নিউইয়র্কে নির্বাচন

মুহম্মদ জাফর ইকবাল: আমার ধারণা এখন পৃথিবীর সবচেয়ে অমানবিক জায়গাবিস্তারিত

রাষ্ট্র থাকলো কি গেলো কিচ্ছু যায় আসেনা

আবু জাফর মাহমুদ: রাষ্ট্রশাসন, প্রশাসন, বিচার, আইনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তারবিস্তারিত

  • ট্রাম্প, পুতিন, হেলসিংকি ও বিস্ময়কর আন্তর্জাতিক ক্যানভাস
  • বিএনপিকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে
  • এক শাসক, এক দেশ
  • আসামই কি বাংলাদেশী হিন্দুদের ডাম্পিং গ্রাউন্ড?
  • অতিরাজনীতিই রাজনীতিকের মহাপাপ
  • মার্কিন দূতাবাস এবং বাংলাদেশী রাজনীতি
  • ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বসন্তকালীন মিটিং ও কিছু অম্লমধুর স্মৃতি
  • আরেকটি উইকেটের পতন! বিদায় ডেভিড শালকিন
  • অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের শান্তি
  • এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম
  • এক স্লিপ
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.