র্সবশেষ শিরোনাম

শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৯

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

পরিবারের অভিযোগ : ডিবি তুলে নিয়ে গেছে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. মিলনকে

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক: সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রামের চট্টশ্বেরী রোড এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছেন মিলনের স্ত্রী ও বিএনপি নেত্রী নাজমুন নাহার বেবী। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে ফেরার পর গত সপ্তাহখানেক ধরে মিলন চট্টগ্রামে তাঁর বন্ধু শাহ আলমের বাসায়ই অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে এবং ওই বাড়ির মালিক শাহ আলমকে তুলে নেওয়া হয়। তবে তাঁদেরকে ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে সে ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেত্রী বেবী। এর আগে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে তাঁর স্ত্রী নির্বাচন কমিশনে এক লিখিত অভিযোগে জানান যে, মিলন আসন্ন নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপি’র প্রার্থী। কিন্ত আইনের আশ্রয় গ্রহণের স্বাভাবিক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাবেক এই সংসদস সদস্য। তিনি জানান, চিকিৎসা ও পড়াশোনার জন্য দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার কারণে এহছানুল হক মিলন তাঁর বিরূদ্ধে কয়েক বছর আগে দায়ের করা বেশ কিছু রাজনৈতিক মামলায় নিয়মিত হাজিরা দিতে পারেননি। এ পর্যায়ে দেশে ফিরে তিনি সেসব মামলায় সরাসরি কোর্টে হাজির হওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তিনি যাতে সরাসরি কোর্টে হাজির হতে না পারেন সে জন্য পুলিশ নানা ধরণের তৎপরতা শুরু করে। পুলিশ তাকে কোর্টের বাইরে গ্রেফতার করে নতুন মামলা দিয়ে রিমান্ডের নামে নির্যাতন করতে পারে এমন আশায় তিনি প্রকাশ্যে আসা থেকে বিরত থাকেন। ঘড়ি ছিনতাই, পুকুরের মাটি চুরি কিংবা ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাইয়ের মতো অভিযোগে দায়ের করা এসব মামলায় মিলন ইতিপূর্বে প্রায় দুই বছর জেল খেটেছেন।
তারপর উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে চিকিৎসার জন্য বছর চারেক আগে বিদেশে যান। এই সময়ে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি গবেষণা সম্পন্ন করেন। এরপর নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে গত ১৩ নভেম্বর তিনি দেশে ফিরে আসেন। এ অবস্থায় মিলন যাতে স্বাভাবিক আইনী প্রμিয়া সম্পন্ন করে একজন প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনী কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পারেন সে জন্য নির্বাচন কমিশনের সহায়তা কামনা করেন বেবী। কিন্ত গত পাঁচ দিনেও এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিμিয়া দেখানো হয়নি। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে মিলন ও তার বন্ধুকে।
উল্লেখ্য, ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসাবে নকল প্রতিরোধ আন্দোলনের উদ্যোক্তা হিসাবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এহছানুল হক মিলন।

এ রকম আরো খবর

রাতভর জেগেছিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক: বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারী) রাত ১০টার পর রাজধানীরবিস্তারিত

বিশ্ব মিডিয়ার চোখে বড় কারণ অব্যবস্থাপনা

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক: একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) প্রধানবিস্তারিত

  • চকবাজারে অগ্নিকান্ডে নিহত ৭০
  • আপিলের সুযোগ আছে, ভাতা ফেরতের আলোচনা নেই : ৪০,০০০ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত ভাতা স্থগিত হচ্ছে
  • সোনালী কাবিনের কবি আল মাহমুদ আর নেই
  • সংসদ নির্বাচন: বাংলাদেশে গণতন্ত্র রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেবার আহ্বান ইউএস কংগ্রেসের
  • ডন পত্রিকার কলাম : ‘বাংলাদেশ পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে যেভাবে’
  • যেমন চলছে রিজভীর জীবন
  • ২৫ জানুয়ারী বাকশাল দিবস
  • প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ‘প্রতারণামূলক’ : মির্জা ফখরুল
  •  এখন প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য  জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 
  • জাতিসংঘের সাথে বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনিষ্ট সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে : রাষ্ট্রদূত মোমেন
  • শীর্ষ ১০ নিরাপত্তা চিন্তাবিদের তালিকায় শেখ হাসিনা
  • চলে গেলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.