র্সবশেষ শিরোনাম

শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৯

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

নির্বাচন পরবর্তী যুক্তরাষ্ট্র নেতৃবৃন্দের ভাবনা

‘বিএনপি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার

নিউইয়র্ক: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি নানা সঙ্কটের মুখে। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর দেশে-প্রবাসে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে বিএনপি’র রাজনীতি ঘিরে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ছাড়াও বিভিন্ন মহল থেকে বাংলাদেশের আগামী দিনের রাজনীতিতে বিএনপি’র অবস্থান সম্পর্কে নেতিবাচক বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। অপরদিকে বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল দাবী করে দলীয় নেতৃবৃন্দ বলছেন ‘বিএনপি আওয়ামী লীগ আর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’-এর শিকার হয়েছে। বাংলাদেশের চলমান রাজনীতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিমত নিয়েই বিশেষ এই রিপোর্ট। এই প্রেক্ষাপটে প্রবাসের নেতৃবৃন্দ বলেছেন- ‘বিএনপি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার। সাংগঠনিক ঐক্য আর শক্তির ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ-কে রুখে দাঁড়াতে হবে’। খবর ইউএনএ’র।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লর রহমান জিল্লু বলেন, শুধু বাংলাদেশের মানুষ নয়, সমগ্র বিশ্বাসী জানে যে, ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। আর বাংলাদেশের সবেচেয়ে জনপ্রিয় দল বিএনপি আজ আওয়ামী ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। বিএনপি-কে এগিয়ে যেতে হলে সবার আগে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সর্বস্তরের নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নেতাদের ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে জনগণ আর দলীয় স্বার্থ রক্ষায় সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। সেই সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল থেকে শহীদ জিয়ার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শে দলীয় নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত হতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থ নয়, দলে প্রয়োজন জিয়ার আদর্শের সাচ্চা নেতা-কর্মী।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি মিজানুর রহমান ভূইয়া (মিলন্টন ভূইয়া) বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। অপ্রিয় হলেও সত্য যে বিএনপি আর বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা আজ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবে এই সন্ত্রাস আর ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। সত্যিকারের বিএনপি নেতা-কর্মীদের ভেঙে পড়লে চলবে না, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে প্রতি আস্থা রাখার সাথে সাথে দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আাগামী দিনে এগিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই বিএনপিকে আওয়ামী দু:শাসন, ষড়যন্ত্র আর ভোট ডাকাতির জবাব দেয়ার পাশাপাশি মিথ্য ও আপপ্রচারের কঠোর জবাব দিতে হবে। এজন্য ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি আছে এবং থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষকম শহীদ রাষ্ট্রপতি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি যে জনগণের এবং নির্বাচনমূখী দল তা সদস্য অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, ভোটার বিহীন নির্বাচনের মধ্যদিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে থাক এবং ‘ভোট ডাকাতি’র মাধ্যমে পুনরায় নির্বাচিত হওয়া শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের সকল প্রকার বাঁধা-বিপত্তি সত্ত্বেও শুধুমাত্র জনগণের দল হিসেবে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক যে জনপ্রিয়তায় আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপি-কে পরাজিত করে তা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই না। আর এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দিনের আলোর মতো প্রমাণিত হয়েছে যে, আওয়ামী লীগ বিএনপি ভয় পয়। সেই সাথে এটাও সত্য যে, জন সমর্থনহীন আওয়ামী লীগ সহজেই ক্ষমতা ছাড়বে না। তাই আগামী দিনে বিএনপি-কে ঘুরে দাঁড়াতে হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফার মূল মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে, দলীয় নেতা-কর্মীদের ব্যক্তিগত রেশারেশী, মত-পার্থক্য, বিভেদ-বিভক্তি আর নেতৃত্বের কোন্দল ভুলে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে সাথে নিয়েই এগুতে হবে। বিএনপি-তে ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। আমি মনে করি জনগণ সাথে থাকলে অবশ্যই বিএনপি ঘুড়ে দাঁড়াবে এবং অতীতের মতো স্বৈরাচার হঠাও আন্দোলন সহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিতে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসিম ভূইয়া বলেন, ‘ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতি’র কারণে গত ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্রীয় বিএনপি প্রত্যাখান করেছে। আমরাও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সর্বস্তরের নেতা-কর্মী এই নির্বাচন প্রত্যাখান করেছি এবং আমি মনে করি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন ছাড়া বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে না। তিনি বলেন, বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হলে যুক্তরাষ্ট্র সহ দেশ ও প্রবাসের যেখানে যেখানে কমিটি নেই সেখানে যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন কমিটি গড়ে তোলার পাশাপাশি সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে।

এ রকম আরো খবর

  • ভেরাইশপ নামে নতুন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান : অ্যামাজনের প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ইমরান
  • নিউইয়র্কে একুশ পালনে ব্যাপক প্রস্তুতি
  • ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী স্মরণে সভা ২২ ফেব্রুয়ারী
  • রিদম আয়োজিত ‘ভালোবাসার রেশ’ অনুষ্ঠান ১৭ ফেব্রুয়ারী
  • অমুসলিম হয়েও ধর্মবিদ্বেষের শিকার বাংলাদেশী বরুন চক্রবর্তী
  • বাংলা পত্রিকা ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ সংখ্যা
  • সিলেটে কুহিনুর আহমদকে গ্রেফতারের নিন্দা ও মুক্তি দাবী
  • ক্ষমতা নিয়ে ইসি-ট্রাষ্টি বোর্ডের মধ্যে টাগ অব ওয়ার
  • মডেলিং সহজ কাজ নয়, চাই আতœবিশ্বাস
  • নারী আসনে মনোনয়ন চান মোমতাজ-ফরিদা
  • নতুন ভবণ ও ফিউনারেল হোমন প্রতিষ্ঠান পরিকল্পনা
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.