র্সবশেষ শিরোনাম

বুধবার, এপ্রিল ২৪, ২০১৯

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

এবিবিএ’র সংবর্ধনা সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন

প্রবাসীদের প্রত্যাশা পূরণে সবার প্রার্থনা কামনা

বিশেষ প্রতিনিধি: গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রবাসী বাংলাদেশর হৃদয়ে বাস করেন। আমি প্রবাসী ছিলাম। এখনো নিজেকে আপনাদেরই লোক মনে করি। আমি আপনাদেরই থাকবো। তিনি বলেন, ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘প্রবাসী বন্ধু’ বলেই আমাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে তার ওয়াদা রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের সম্মানিত করেছেন। আমি জানি প্রবাসীদের অনেক সমস্যা রয়েছে। আর তাই প্রবাসীদের প্রত্যাশা পূরণে সবার প্রার্থনা কামনা করি, সবার সহযোগিতা চাই।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম সফরের নিউইয়র্ক পৌছার পর তার সম্মানে রোববার সকালে আমেরিকান-বাংলাদেশী বিজনেস এলায়েন্স (এবিবিএ) আয়োজিত বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা সভায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদানকালে ড. মোমেন উপরোক্ত কথা বলেন। লাগোর্ডিয়া ক্রাইন প্লাজা হোটের বলরুমে এই সভার আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, ড. মোমেন দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছিলেন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যাকে বাংলাদেশে ফিরে যান এবং দেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি শেখ হাসিনা সরকারের নতুন মন্ত্রী সভায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন। ড. মোমেন এবিবিএ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
এবিবিএ’র সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক, বিশিষ্ট শিল্পপতি জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন ও নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মিজ সাদিয়া ফয়জুন্নেসা সহ অন্যান্যের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি এম এম শাহীন, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম আজিজ, সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, এবিবিএ’র উপদেষ্টা এন মজুমদার, রাহাত মুক্তাদীর, এবিবিএ’র জেনারেল সেক্রেটারী ইয়াকুব এ খান সিপিএ, প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল সেক্রেটারী বিলাল আহমেদ চৌধুরী, এবিবিএ’র সংবর্ধনা কমিটির সদস্য সচিব মইনুল ইসলাম, চীফ কো-অর্ডিনেটর শাহ নেওয়াজ এবং যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক রেজাউল করীম চৌধুরী। অনুষ্ঠান মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইমাম কাজী কাইয়্যুম এবং বাইবেল থেকে পাঠ করেন টমাস দুলু রায়। এরপর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। পরবর্তীতে এবিবিএ’র পক্ষ থেকে কর্মকর্তারা এক গুচ্ছ ফুল দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনকে শুভেচ্ছা জানানোর পর মানপত্র পাঠ করেন সাপ্তাহিক বাঙালী সম্পাদক কৌশিক আহমেদ। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং সংগঠনের কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন এবিবিএ’র সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার। সমগ্র অনুষ্ঠান যৌথভাবে উপস্থাপনায় ছিলেন এবিবিএ’র সংবর্ধনা কমিটির জয়েন্ট মেম্বার সেক্রেটারী এএফ মিসবাহউজ্জামান ও টাইম টেলিভিশন-এর নিউজ প্রেজেন্টার সাদিয়া খন্দকার।
এছাড়াও আব্দুল ওয়াহিদ টুপন ও এডভোকেট আখতার আহমেদ মন্ত্রী ড. মোমেনকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার তার বক্তব্যে সকল প্রবাসী বাংলাদেশী এবং এবিবিএ’র পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আজ আমাদের জন্য একদিকে কষ্টের দিন, আরেকদিকে আনন্দের দিন। কষ্ট এজন্যই যে প্রবাসে ড. মোমেন ছিলেন আমাদের অভিভাবক। আর আনন্দ এজন্যই যে, প্রধানমন্ত্রী তাকে দেশে নিয়ে এমপি বানিয়েছেন, মন্ত্রী করেছেন, বড় দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কথা রেখেছেন। ড. মোমেনকে সম্মানের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদেরকেই সম্মানিত করেছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। তিনি বলেন, ড. মোমেন যেখানে পা রেখেছেন, সেখানেই সফল হয়েছেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় ড. মোমেন বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভারত সফরের পর ষ্টেট ডিপার্টমেন্টের আমন্ত্রণে প্রথম যুক্তরাষ্ট্র এসেছি। তিনি বিগত নির্বাচনে প্রবাসীদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ড. মোমেনকে অভিনন্দন এবং তাকে এমপি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তিনি ‘বুরোকেসী’র বেড়াজাল ভেঙ্গে বাংলাদেশ মিশনকে গণমুখী করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বক্তারা প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।
রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের আগমনে আজ নিউইয়র্কে ঈদের দিনের মতো পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রবাসীরা চাইলে আজ তার সম্মানে ৪টি নয় ৪০টি সংবর্ধনা সভা হতে পারতো। মিশন প্রধান হিসেবে ড. মোমেনের কর্মকান্ডের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি এবিবিএ প্রতিষ্ঠা করে তার কর্মের উজ্জল দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করেছেন। আমরা তাকেই অনুসরণ করছি।
কনসাল জেনারেল সদিয়া ফয়জুননেসা বলেন, বাংলাদেশ মিশনের প্রধান থাকাকালীন সময়ে পররাস্ট্রমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘে একত্রে কাজ করে তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। নিজেকে জনবান্ধব হতে শিখেছি। তিনি কূটনীতির বেড়াজাল ভেঙ্গে বেড়িয়ে এসেছেন। প্রসঙ্গত তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার পরপরই তার দেয়া নির্দেশ মোতাবেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট ভবন ক্রয়ের উদ্যোগ চলছে বলে জানান।
জহিরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ১০০ ভাগ সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করেন এবং প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি নিউইয়র্কে একটি কমিউনিটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সহ প্রবাসীদের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এ রকম আরো খবর

বৈশাখী পদক পাচ্ছেন ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার

নিউইয়র্ক (ইউএনএ): ‘হৃদয় নাচে বৈশাখী সাজে’ শ্লোগান নিয়ে প্রবাসের অন্যতমবিস্তারিত

  • প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার হলেন মোঃ আবু জাফর রাজু
  • ১৫ এপ্রিল ২০১৯ সংখ্যা
  • জ্যাকসন হাইটসে ‘টাইম টেলিভিশন বৈশাখী মেলা’ ১৩-১৪ এপ্রিল : প্রধান শিল্পী ফেরদৌস আরা
  • নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভা অনুষ্ঠিত
  • ফারাক্কা ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী
  • কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার হলেন শাহ নেওয়াজ
  • ১ এপ্রিল ২০১৯ সংখ্যা
  • ফারাক্কা কমিটির সভা ৬ এপ্রিল শনিবার
  • ‘ইনফিনিটি অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশের শহীদুল আলম
  • শেরওয়ান আহমেদ চৌধুরী আর নেই
  • আইনের যথাযথ প্রয়োগ চান প্রবাসীরা
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.