র্সবশেষ শিরোনাম

বুধবার, জানুয়ারি ১৭, ২০১৮

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

নেতানিয়াহুর গ্রেফতার দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল ইজরাই

আবু জাফর মাহমুদ: এই বিক্ষোভ ইজরাইলে। বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতারের দাবিতে। আমেরিকায় মিথ্যার রাজার প্রিয় মিত্র ইহুদি সন্ত্রাসবাদী রাজনীতিক দূর্নীতির অপরাধে নাজেহাল হচ্ছেন সস্ত্রীক। ইজরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতা নিয়াহু ও তার স্ত্রী ফার্ষ্ট লেডি সারা নেতা নিয়াহুর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগে উত্তাল ইজরাইল।
ধারণা করা হচ্ছে, নিজের অপরাধ থেকে জনগণের দৃষ্টি নিয়ে লুকোচুরি খেলছেন এই ধান্ধাবাজ রাজনীতিক। তিনি বরাবরই যুদ্ধে এবং হত্যাযজ্ঞে ইজরাইলী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা সহ পুলিশ প্রশাসনকে উগ্রবাদিতা, বিদ্বেষ ও অরাজকতায় মেতে থাকার চাপ দিচ্ছেন। তাই ভাব দেখাতে থাকেন, তিনি ছাড়া আর কেউ ইজরাইলকে ভালবাসেনা। তিনিই ইজরাইলের একমাত্র রক্ষক। ভাবখানা এরকম, ভালবাসার ভারে তিনি প্যালেষ্টাইনের নাম মুছে দিবেন।
তার এই ভূয়া চালাকি বুঝে উঠতে ইজরাইলের শিক্ষিত, নীতিবাদী ও বুদ্ধিমান জনগণের দেরী হয়নি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করায় এবং তদন্তে নিরপেক্ষতা বজায় রাখায় প্রশাসনের তৎপরতা ইজরাইল জুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। তবে জোর জবরদস্তি দাপটে অভ্যস্থ নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থেকে গায়ে মানেনা আপনি মোড়লগিরি করছেন সবার সামনে। তাই, পদত্যাগ করে প্রশাসনকে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার জন্যে হাজার হাজার জনগণ বিক্ষোভে নেমেছেন, এই বিক্ষোভের চলছে একাধারে পঞ্চম সপ্তাহ। তবুও তিনি পদত্যাগ করছেননা। তিনি সম্ভবতঃ বাংলাদেশের ভারতীয় সীমান্তের অধিবাসী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সাথে পরিচিত। ইদানিং ট্রাম্পকে গুরু মেনে মিথ্যা বলায় নাকি প্রমোশন নিচ্ছেন তিনি। তবুও বলা যায় ভয়ানক গ্যারাকলে আটকা পড়েছেন এই সাহসী রাজনীতিক।
“মার্চ অব শেইম” নামে ডাক দেয়া বিক্ষোভে দাবি করা হয়েছে তাকে গ্রেফতার করে কারগারে পাঠাতে। প্রাইম মিনিষ্টার বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে “ক্রাইম মিনিষ্টার” লেখা হয়েছে প্লেকার্ডে। এই প্লকার্ড বহন করছে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। তাকে এই প্লেকার্ডে পরিচয় করে দেয়া হচ্ছে “বিশ্বাসঘাতক ইয়াহু” বলে। পরের ধন লুটেরা এই ক্রাইম মিনিষ্টারকে ওরা পরজীবী বলে পরিচয় করে দিয়েছে বিশ্ববাসীর কাছে। বিক্ষোভকারীরা ক্রাইম মিনিষ্টার ইয়াহুর সিহযোগী দূর্নীতিবাজ মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের নাম উল্লেখ করে বলছে দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পদত্যাগ বিক্ষোভকারীদের দাবিই হচ্ছে সততা দেখতে চায় তারা।
তাদের শ্লোগান হচ্ছে,“নো ল্যাপ্ট, নো রাইট বাট অনেষ্ট”। দুনিয়াব্যাপী স্মালোচিত ইহুদি প্রধানমন্ত্রী বাস্তবতঃই ইজরাইলের মতো গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে। ইজরাইলের শিক্ষিত ও মেধাবী যুব শক্তি বিশ্বব্যাপী নন্দিত হচ্ছে। নারী পুরুষ নির্বিশেষে এরা বিশ্বময় কৃতিত্ব কুড়িয়ে চলেছে অথচ এই দূর্নীতিবাজ রাজনীতিক মধ্যপ্রাচ্যের দূর্নীতিবাজ আরব জালেমদের সব চেয়ে বড় অংশীদার এবং পৃষ্ঠপোষক। তাদের সাথে সিন্ডিকেট গড়েছে অপরাধের।
কর ফাঁকি দিয়ে ও দূর্নীতির অভিযোগ গায়ে নিয়ে ট্রাম্প আমেরিকার রাজনীতি ও প্রশাসনকে দূর্নীতিপরায়ণ ও বিভ্রান্ত করতে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় ইজরাইলের সরকারে দূর্নীতি ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ব সমাজে ইজরাইল ক্ষতিগ্রস্থ হবেই। তাছাড়া নেতানিয়াহুর বিভ্রান্ত বৈদেশিক নীতি জাতিসংঘে ইজরাইলের বিরুদ্ধে জেরুজালেম সংক্রান্ত ভোটে লজ্জাজনক প্রত্যাখ্যান জুটেছে। চীন রাশিয়া ইন্ডিয়া ইওরোপীয় ইউনিয়ন ইজরাইলের বিরুদ্ধে ভোট দেবে কেনো? তারা কি ইজরাইলের শত্রু নয়?
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতে উগ্রহিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছে কংগ্রেসকে কাদামাটিতে চেহারা বিকৃত করে দিয়ে। গুজরাট প্রদেশ থেকে এক জঙ্গিবাদী ঘাতক রাজনীতিককে রাষ্ট্র পরিচালনায় তুলে আনা হয়েছে ভারতে। সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সরকার পরিচালনায় নীতি কৌশলরূপে কার্যকর করা যতই বৃটিশ নীতি হঊক, ইজরাইলের সহযোগীতা ছাড়া কি তা সম্ভব হয়েছে? তাতো নয়। তাই ইজরাইলের সাথে ভারতের সম্পর্কটা হয়ে উঠেছে ঘনিষ্ঠ ও অবিচ্ছেদ্য। এই বিশ্বাসে ভর করে কথা চালাচালিও হয়।
নেতানিয়াহুর সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভোটে ভোট কেনার জন্যে ঘুষ দিতে তহবিল অনুমোদনও দিয়েছে। ভারতকে ভ্রাম্যমান পানি শোধনাগার কেনার জন্যে ১লাখ ১৫হাজার ডলার দেয়ার অনুমোদন দিয়েছিলো ইজরাইলি কমিটি। তবে ভোটাভূটির দিন ভারত এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। ট্রাম্পের জেরুজালেম নীতির বিপরীতে বিশ্ব ধারার পক্ষ নেয়। ইজরাইলকে হতাশ করে। ভারতের এই এদিক ওদিকে নড়াচড়ার অবস্থানের প্রতিবাদ করে ইজরাইল। ভারতের সাথে এই সামান্য সমস্যা তো ইজরাইলের হবার কথা নয়। তবুও হয়েছে। এজন্যে ভারতীয় এই একটি বিশেষ জাতিগোষ্ঠী আছে যাদেরকে কেউ আস্থায় রাখতে পারেনা। তারা দুদিকেই ধারালো।
সে সময় ইসরাইল অর্থ দিয়ে নাউরুর ভোট কিনে নিয়েছে বলে খবর বের হয়েছে। এই খবরে আরো কয়েকটি দুর্বল দেশের নাম আছে। তাতে কি? ভারত ঠিকই ইজরাইলের ক্রাইম মিনিষ্টারের চেয়ে বেশী স্মার্ট পদক্ষেপ নিয়েছে। ভারতের সরকারী কর্মকর্তাদের অনেকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি নিয়ে কানা ঘুষা থাকলেও নরেন্দ্র মোদী একটা সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং ভারতকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ধরে রেখেছেন। এবার চীন রাশিয়া পাকিস্তানের সাথে ঘাটছড়া বেঁধে কুলে উঠেছেন। ইজরাইলের পক্ষে প্রকাশ্যে এবার মাথানীচু করলে তার মাথার লম্বা চূল ছোট হয়ে যেতো শত্রুতার জোরে। গদি যে হিং¯্র প্রাণীকেও যুক্তিবাদী বানাতে পারে। আবার প্রমাণ হলো। মোদীকে আরো বেশীদিন ক্ষমতায় দেখার আশা জাগছে আমার।
৩০ ডিসেম্বর রথশিল্ড সড়কে হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ দেখা গেছে। বিক্ষোভের নাম দেয়া হয়েছে “মার্চ অব শেইম”। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ ঘুষ নেয়া, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ। তাকে আলাদা দুটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে। ব্যবসায়ীদের কাছে থেকে উপহারের অজুহাত দেখিয়ে ঘুষ গ্রহনের গোপনীয়তা প্রকাশ হয়ে গেছে। পত্রিকায় ভালো কভারেজের জন্যে পত্রিকার মালিকের সাথে তার আলোচনার সুযোগ করে দেয়া।
অপরটি হচ্ছে জার্মানি থেকে সাবমেরিণ ক্রয় করার ক্ষেত্রে দূর্নীতি। এসব অভিযোগের ভিত্তি এতো মজবুত যে, তিনি প্রায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি তার দেশের মেধাবিদের পাত্তা দেননি যে তারা তার অপরাধ বুঝতে পারবেনা। ইজরাইলী গোয়েন্দাদের মধ্যে এমন অনেকে আছেন, যারা দুনিয়ার এপিঠ ওপিঠ নিয়ে খেলে। তারা কি এতো কষ্ট করছেন ইজরাইলকে নিরাপত্তাহীন করার জন্যে? নিশ্চয়ই নয়। তাই তারা পাহারা দিচ্ছেন ইজরাইলের নিরাপত্তা এবং তারাই হচ্ছে দেশের অতন্দ্র প্রহরী। অতন্দ্র বলতে কেবল চাটুকারীতা করে সরকার প্রধানের ক্রীতদাস হওয়া নয়। অতন্দ্র বলতে জীবনের সবকিছুর পরিবর্তে দায়িত্ব পালন বুঝায়। তারা রাষ্ট্রের কর্মকর্তা, অবশ্যই প্রাধানমন্ত্রীর ক্রীতদাস নয়। তাই তারা বের করে এনেছে এই সত্য। সত্য যতই নিষ্ঠুর হউক, সত্যের সৌন্দর্য্য অতূলনীয়।
আর যদি নেতানিয়াহু আমেরিকাকে নিয়ে খেলতে গিয়ে বন্ধুত্বের নামে আমেরিকাকে ডুবানোর হাতে খড়ি নেন। তাহলে তো আরো বিপদ আছে। আমেরিকার সি.আই.এ এখনো গোয়েন্দা জগতে সবচেয়ে বড় ওস্তাদ। এরা কে প্রেসিডেন্ট আর কে সেনেটর ওদিকে ভ্রুক্ষেপ রাখেনা। তারা আমেরিকার জন্যে নিবেদিত। দক্ষতায় তারা অদ্বিতীয়। তাই নেতানিয়াহুকে সোজা হতে হবে। ফিলিস্তিনের মানুষ মেরে গাজা দখলে রাখার নিষ্ঠুর নাটকের প্রহসন সাজিয়ে নিজের অপরাধ ঢেকে রাখা যাবেনা। অপরাধ করেছো তো ইজরাইলের কাছে মাফ চাও, দেশের সাথে দেশের জনগনের সাথে প্রতারণার অপরাধের জন্যে সাধারণ মানুষের শাস্তি হয় কম,তবে যে যত বড় তার শাস্তিও ততো বড় হবার কথা।
সারা নেতানিয়াহু দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হওয়ায় বলা হচ্ছে নিয়াহু পরিবার শুদ্ধু চোর দূর্নীতিবাজ। নেতানিয়াহুর তৃতীয় স্ত্রী হচ্ছেন সারা। তাকে প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের জন্যে ইজরাইলের আদালত অভিযুক্ত করেছে। ২৯ ডিসেম্বর শুক্রবার আটর্নি জেনারেল এভিচাই মেন্দেলব্লিত সারাকে দোষী সাব্যস্থ করে অভিযোগপত্র দেন। অভিযোগে বলা হয়েছে তিনি রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে এক লাখ ১২ হাজার ডলার নিজের বাড়ীতে ডিনার পার্টিতে খরচ করেছেন এবং পরে তা অডিটরদের কাছে গোপন করেছেন।
তা ছাড়া তিনি রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে নিজের বাড়ীর জন্যে আসবাবপত্র কিনেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাছাড়া তার মৃত বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালেও রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে অর্থ নিয়ে ব্যয় করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। স্থানীয় গণ্মাধ্যম বলছে সারা আলাদা চারটি অভিযোগের মুখোমুখী হতে পারেন। সারার বিরুদ্ধে মামলা করা হয় ২০১৫সালে।
নেতানিয়াহু এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে প্রধান প্রধান শহরগুলোয়। অধিকৃত বাইতুল মোকাদ্দাস হাইফা এবং আফুলা শহরে বিক্ষোভের চাপ ছিলো বেশী। তেল আবিবে চলমান বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এসব শহরগুলোয়। পুরো ইজরাইল উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে বিক্ষোভে। এই পরিস্থিতি থেকে ব্যথার রক্তচাপে সাময়িক উপশমের জন্যে গাজায় আরো ব্যাপক মানুষ মারার আদেশ দিতে পারেন তার অনুগত যুদ্ধমন্ত্রী। ইরান অথবা লেবাননের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক তৎপরতা ও দেখা যেতে পারে। মূলতঃ ইরান ও হিজবুল্লাহর সাথে হামাসের কমান্ড গঠন হওয়ায় নেতানিয়াহু সৌদি জোটকে আরো ক্ষেপানোর চেষ্টা করছেন। ৩০ ডিসেম্বর ইজরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী এভিগডোর লিবারম্যান ফিলিস্তিনিদের হত্যা নির্যাতন চালানোর নির্দ্দেশ দিয়েছেন। তবুও থামছেনা প্রধানমন্ত্রীর দূর্নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ।
(লেখক আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ স্বাধীনতাযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান)।

এ রকম আরো খবর

অনন্তলোক প্রিয়জন আনিসুল হক স্মরণে

কাদেরী কিবরিয়া: আমার প্রিয়জন আনিসুল হক এর অকাল মৃত্যুতে আমিবিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী এক মেধাবী ছাত্রকে গুলি করে হত্যা

ক্যানসাস: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস রাজ্যের উচিটা শহরে শনিবার রাতে বাংলাদেশী তরুণবিস্তারিত

লেবাননে হস্তক্ষেপের হাত আটকে গেছে কি?

আবু জাফর মাহমুদ: কাতারের সঙ্গে যে আচরণ করছে লেবাননের সঙ্গেবিস্তারিত

  • মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতির নয়া অধ্যায়
  • প্রসঙ্গ রোহিঙ্গা : অভিশাপ না আর্শিবাদ
  • সাড়ে ছয় কোটি রাজাকার
  • অনিশ্চিত গন্তব্যে বাংলাদেশ
  • আমার দেখা ২১ আগস্টের ভয়াবহতা
  • ভয় নাই, ওরে ভয় নাই
  • ভারতের সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে ধোলাই
  • হিন্দু জঙ্গিদের শসস্ত্র ট্রেনিং এবং………..
  • ভারত আমেরিকা যুদ্ধচুক্তির উত্তপ্ত প্রভাব চীন পাকিস্তানে
  • কাস্মীরে সহিংসতা নিরসনে জাতিসংঘ মধ্যস্থতাকারী হচ্ছে
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.