র্সবশেষ শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৯, ২০১৮

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতি হস্তান্তর : উন্নয়নশীল কাতারে বাংলাদেশের আগামীর চ্যালেঞ্জ

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক: উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জনে প্রাথমিক ধাপ পেরিয়েছে বাংলাদেশ। উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের বেঁধে দেয়া সব শর্ত পূরণ করায় এ স্বীকৃতি মেলেছে। ধারাবাহিক প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক উত্তরণ ঘটবে। তবে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্তরে চূড়ান্তভাবে উত্তরণ নিশ্চিত করতে পরবর্তী তিন বছরের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সূচকে অর্জনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। এদিকে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের এ অর্জন অনন্য ঘটনা। তবে সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এই অর্জনের বড় ইতিবাচক দিক হলো আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের দর কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে। বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়বে। চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে উন্নয়নশীল দেশ হলে বাংলাদেশ এলডিসি হিসেবে বাণিজ্যে যে অগ্রাধিকার পায় তার সবটুকু পাবে না। আবার বৈদেশিক অনুদান, কম সুদের ঋণও কমে আসবে। যথাযথ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তার কার্যকর বাস্তবায়ন হলে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে মানুষের জীবনমানের ক্রমাগত উন্নতি করা সম্ভব বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। এলডিসি থেকে উত্তরণ পর্যায়ে ও পরে যেসব চ্যালেঞ্জ আসবে, তা মোকাবিলা করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা। আর মসৃণ উত্তরণের জন্য রপ্তানি বহুমুখীকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হবে। এসব উদ্যোগের যথাযথ বাস্তবায়নে নীতির ধারাবাহিকতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি।
চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে গবেষণা সংস্থা সিপিডি’র বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, যারা এর আগে এলডিসি থেকে বের হয়েছে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। প্রথমত, সুশাসন নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন ও রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধিতে সচেষ্ট হতে হবে। উন্নতি করতে হবে জনস্বাস্থ্য ও শিক্ষায়। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
উচ্চ মূল্য সংযোজন হয় এমন শিল্পের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। দেবপ্রিয় বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পরে প্রবৃদ্ধির হার ও বৈদেশিক সাহায্য সূচকে পতন হতে পারে। রেমিট্যান্স কমতে পারে। কর আদায় না বাড়লে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নতুন চাপ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। কিন্তু রপ্তানি একটি মাত্র পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। উন্নয়নশীল দেশ হলে বৈদেশিক ঋণে রেয়াতি সুদহার থাকবে না। বৈশ্বিক বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধাও কমবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দরকার সুশাসন। সুশাসন না থাকলে যেসব প্রতিষ্ঠান দেশকে স্থিতিশীলভাবে ধরে রাখে, সেগুলো দুর্বল হয়ে যাবে। এ জন্য গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা জরুরি।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন মনে করেন, বাংলাদেশের এ অর্জন নিয়ে খুব বেশি আত্মতুষ্টিতে না ভুগে সামনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেয়া উচিত। তিনি বলেন, এ অর্জনে বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডের অর্থায়নে চাপ তৈরি হবে। কিন্তু দরকষাকষির দক্ষতা বাড়লে ও সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে বড় চাপ হবে না। বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনেক কম সুদে এবং অপেক্ষাকৃত সহজ শর্তে ঋণ পায়। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পক্ষ থেকে এ ধরনের ঋণ দেয় আইডিএ। আরো কয়েক বছর পর হয়তো বাংলাদেশ আইডিএ ঋণ পাবে না। বাংলাদেশকে এ বিষয়টি মাথায় রেখে এগোতে হবে। এছাড়া চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে প্রথমত অবকাঠামো উন্নয়নের যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তা আরো বেগবান করতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়মকানুনের জটিলতা দূর করতে হবে। মানবসম্পদ বিশেষত শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। আরেকটি বিষয় হলো- শুল্কমুক্ত সুবিধা উঠে গেলে আমদানিকারক দেশের ভোক্তাদের ওপর তার প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশকে নতুনভাবে দরকষাকষির প্রস্তুতি নিতে হবে। সুবিধাগুলো যাতে কোনো না কোনোভাবে বজায় থাকে তার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে হবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মীর্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, এ অর্জন ধরে রাখতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগসহ এফডিআই বাড়াতে হবে। উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, উৎপাদন ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতির মধ্যে সমন্বয়ের পরামর্শ দেন। এ ছাড়া রেমিট্যান্স ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন এ বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, এই করণীয়গুলো ঠিকঠাক না হলে শুধু স্বীকৃতিতে তেমন উপকার হবে না।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মুনসুর বলেন, আমাদের এখন সামনের দিকে তাকাতে হবে। এর পাশাপাশি সতর্ক থাকতে হবে, যাতে আমরা মাঝখানে আটকে না যাই। অর্থাৎ মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছে এখানেই যেন আটকে থেকে না যাই। সামনে এগুতে হবে। তিনি বলেন, এজন্য আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্থাগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। তা না হলে আমাদের মাঝপথেই হোঁচট খেতে হবে। এদিকে আমাদের বেশি করে নজর দিতে হবে। এ ছাড়া বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে বিদেশি বাণিজ্যিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করে বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশের প্রচুর কাজ করতে হবে। ব্যয় সংকোচনমুখী হতে হবে। এর পাশাপাশি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে মনে করেন এই গবেষক।

যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতি হস্তান্তর: স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে বেরিয়ে আসছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে। এজন্য বাংলাদেশ তিনটি নির্ণায়ক পূরণ করেছে। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এক বৈঠকে এ ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘ প্যানেল কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)। শুক্রবার সিডিপির ঘোষণা সংক্রান্ত একটি চিঠি জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ওইদিন বিকালে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মাসুদের কাছে এ চিঠি হস্তান্তর করেন সিডিপির সেক্রেটারিয়েটের প্রধান রোলান্ড মোলেরাস।
ইউ এস বাংলাদেশ মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, নিউইর্য়কস্থ জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ১৫ই মার্চ সিডিপি’র বৈঠকে এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন সংক্রান্ত ঘোষণা দেয়া হয়। সে অনুযায়ী শুক্রবার এই চিঠি হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থায়ী মিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিডিপি’র এক্সপার্ট গ্রুপের চেয়ার প্রফেসর হোসে অ্যান্তোনিও ওকাম্পো, জাতিসংঘের এলডিসি, এলএলডিসি (ভূ-বেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশ) ও সিডস্্ (উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপ-রাষ্ট্রসমূহ) সংক্রান্ত কার্যালয়ের উচ্চতম প্রতিনিধি আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ফেকিতামইলোয়া কাতোয়া উটইকামানু, জাতিসংঘে বেলজিয়ামের স্থায়ী প্রতিনিধি মার্ক পিস্টিন, তুরস্কের স্থায়ী প্রতিনিধি ফেরিদুন হাদী সিনিরলিওলু, ইউএনডিপির এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যুরোর পরিচালক ও জাতিসংঘের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল হাওলিয়াং ঝু এবং ইউএনডিপির মানবিক উন্নয়ন রিপোর্ট অফিসের পরিচালক ড. সেলিম জাহান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও নিউ ইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কর্মকর্তাগণ এবং জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কর্মরত বাংলাদেশের কর্মকর্তাগণও এসময় উপস্থিত ছিলেন। কতিপয় এলডিসি দেশের প্রতিনিধিগণ এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন এজেন্সির কর্মকর্তাগণ ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। জানা গেছে, এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের জন্য তিনটি সূচকের যে কোনো দুটি অর্জনের শর্ত থাকলেও বাংলাদেশ তিনটি সূচকের মানদন্ডেই উন্নীত হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- গড় মাথাপিছু জাতীয় আয় (জিএনআই), মানবসম্পদ সূচক (এইচএআই) ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচক (ইভিআই)। বাংলাদেশের পাশাপাশি এলডিসির তালিকা থেকে উঠে এসেছে মিয়ানমার ও লাওস। উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উঠতে হলে একটি দেশের গড় জাতীয় মাথাপিছু আয় হতে হয় ১২৩০ ডলার বা তারও বেশি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের গড় মাথাপিছু আয় এখন ১২৭২ ডলার। অন্যদিকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় আসতে হলে একটি দেশকে এইচএআই সূচকে ৬৬ বা তারও বেশি স্কোর করতে হয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্কোর ৭২.৮। উল্লেখ্য, এইচএআই সূচক পুষ্টি, স্বাস্থ্য, বয়স্ক শিক্ষা ও মাধ্যমিক স্কুলগামী শিক্ষার্থীর হারকে বুঝিয়ে থাকে। অন্যদিকে অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচকে যদি কোনো দেশ ৩২ বা তারও কম স্কোর করে তাহলে ওই দেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ধরা হয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্কোর ২৫। এ সূচকটি প্রাকৃতিক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত ঝুঁকিকে বুঝিয়ে থাকে। এখন জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) ২০২১ সালে বাংলাদেশের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। এরপরই অন্তঃবর্তী তিন বছর পরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বেরিয়ে আসবে। যদি বাংলাদেশ আগামী ছয় বছর তিনটি নির্ণায়ক সূচক ধরে রাখে তাহলে এলডিসি ব্লক থেকে বেরিয়ে আসবে ধীরে ধীরে। এ বিষয়ে ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ স্থানীয় অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, একই সময়ে তিনটি নির্ণায়ক পূরণ করা একমাত্র দেশ বাংলাদেশ। আর এর মধ্য দিয়ে তারা এলডিসি ব্লক থেকে বেরিয়ে আসার যোগ্যতা অর্জন করছে। এজন্য ২০২১ এবং ২০২৪ সালের পর্যালোচনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপরই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে বাংলাদেশ। এ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে এরই মধ্যে। ২০২৪ সালে এই স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য তিনটি নির্ণায়ক বা ক্রাইটেরিয়ায়ই অগ্রগতি টেকসই হিসেবে ধরে রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, অর্থনৈতিক ঝুঁকির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তার মতে, গার্মেন্টের ওপর আমরা নির্ভরশীল। আমাদের পণ্য ও সেবার রপ্তানি অনেকাংশে পরিবর্তনশীল। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে ১৭টি দেশকে স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা দেয় জাতিসংঘ। এখন এ সংখ্যা ৪৭। এরই মধ্যে পাঁচটি দেশ এ তালিকা থেকে বেরিয়ে এসেছে। ১৯৯৪ সালে বোতসোয়ানা, ২০০৭ সালে কেপ ভারডি, ২০১১ সালে মালদ্বীপ, ২০১৪ সালে সামোয়া এবং বিষুবীয় গিনি এ তালিকা থেকে বেরিয়ে আসে গত বছর।

এ রকম আরো খবর

বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভি’র কর্ণধার আবু তাহেরের চাচার ইন্তেকাল

বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট: সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এরবিস্তারিত

  • সাতই মার্চ সিরিজ শ্লীলতাহানির ঘটনায় তোলপাড়
  • আজ ঐতিহাসিক সাতই মার্চ
  • যুক্তরাষ্ট্রে জমকালো আয়োজনের প্রস্তুতি : ফ্লোরিডা থেকে মহাকাশে উড়বে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট
  • ড. জাফর ইকবালের চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন, নেয়া হচ্ছে ঢাকায়
  • শাবিতে ড. জাফর ইকবাল ছুরিকাহত : আটক ১
  • রাজনৈতিক বিভেদের সুযোগ নিতে পারে জঙ্গিরা
  • যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় ‘আইএস-বাংলাদেশ’
  • ব্রিফিংয়ে বার্নিকাট : অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় যুক্তরাষ্ট্র
  • কুলাউড়ায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
  • মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মাতৃবিয়োগ
  • উৎক্ষেপণ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট: মার্চেই বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশ ঘোষণা : ২৪ এপ্রিল নিউইয়র্কে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.