র্সবশেষ শিরোনাম

রবিবার, অক্টোবর ২২, ২০১৭

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

কাস্মীরে সহিংসতা নিরসনে জাতিসংঘ মধ্যস্থতাকারী হচ্ছে

ভারত-পন্থী  বাঙালীদের রাষ্ট্রক্ষমতায় এনে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ দখলের বর্তমান প্রেক্ষাপটে অস্থির ভূতুড়ে বাংলাদেশের অবস্থান ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের এক বিশাল মুসলিম জনপদ।আঠারো কোঠির বেশী মানুষের দেশ,যুব-তরুণ কর্মঠরাই যেখানে সবচেয়ে বেশী।১৯৪৭সনে এই জনপদভারতের অংশ হয়নি। হয়েছিলো পাকিস্তানের পূর্বাংশ।তবে  ১৯৭১থেকে  ভারতীয় সামরিক,রাজনৈতিক,বাণিজ্যক কলোনি হতে বাধ্য হয়েছে পর্যায়ক্রমে। ছদ্মবেশী অপারেশনে বাংলাদেশকে থেতলে চলেছে ক্ষমতার দাপটে।স্বাধীনতাযুদ্ধের বিজয় কেড়ে নিয়ে চালু করা হয় এই অপারেশন ও লুণ্ঠন।

 ওদিকে পশ্চিমে ভারতের দখলিকৃত কাশ্মীর মুসলমান অধ্যুষিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য,খনিজ সম্পদ ও সামরিক গুরুত্বের আরেক বিশাল জনপদ প্রতিদিন ভারতীয় সেনা-পুলিশের গুলিতে জীবন হারায়,বিক্ষুদ্ধ হয়।বাড়ী-গ্রাম-মহল্লা সহ সর্বত্র নারী-পুরুষ নির্বিশেষে দিনে রাতে আক্রান্ত হয়ে লাশ কবরদিতে দিতে হাঁফিয়ে উঠছে।লাগাতার কার্ফিউ দিয়ে কাশ্মীরিদের হত্যা চলছে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বোনকে সামরিক চাপে পদানত করতে পারার বিজয়ের তেজ দিল্লীর আগ্রাসনের জিহবাকে আরো লোভ লালুচে আগ্রহী করেছে বলে মন্তব্য বিশ্লেষকদের। তারা এও বলছেন,বাংলাদেশ কাশ্মীরে সহিংসতা বা অশান্তি দিল্লীর রাজনৈতিক অভিলাষের ফল।

ভারত-পাকিস্তান শান্তির সম্পর্কের লক্ষ্যে মধ্যস্থতায় এগিয়ে এসেছে জাতিসংঘ।সেক্রেটারী জেনারেল   বান কি মুন ভারত-পাকিস্তান বিবাদ নিরসনে মধ্যস্থতার প্রস্তাব করছেন।সাথে সাথে পাকিস্তান  স্বাগতঃ জানিয়েছে এই প্রস্তাবে।সেদেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেছে, হস্তক্ষেপ অথাবা সমস্যানিরসনের দায়িত্ব জাতিসংঘের।জাতিসংঘের এই উদ্যোগকে শান্তিকামী মানুষ অবশ্ত্যই স্বাগতঃ জানায়।স্বাধীনতাযোদ্ধা এক গেরিলা নেতাকে হত্যা করার পর পরিস্থিতি চরম আকারে যাবার পূর্বেই উদ্ভূত  অশান্তি আগ্নেয়গিরি রূপান্তরের আগেই মহাসচিব এই ডাক দিলেন।

এদিকে পাশাপাশি কাশ্মিরের ঘটনাবলীকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে নয়াদিল্লি সরকার যে দাবি করেছে তাও নাকচ করে দেন তিনি। কাশ্মিরে নতুন করে সহিংসতা এবং কাশ্মিরের মানুষের বিরুদ্ধে ‘ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হত্যা কাণ্ডের’ কঠোর নিন্দাও জানান তিনি।

এর আগে জাতিসংঘ মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক দেশ দুইটির মধ্যে মধ্যস্থতার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবের দফতর ব্যবহারের স্থায়ী প্রস্তাব দেন। অবশ্য তিনি বলেন, উভয় পক্ষ মধ্যস্থতা মেনে নিতে প্রস্তুত থাকলেই কেবল জাতিসংঘ মহাসচিবের দফতর ব্যবহার করা যায়।ভারতীয় বাহিনী চারসন্দেহভাজন গেরিলা নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে মুসলিম অধ্যুষিত কাস্মীরে।এই নেতারা বিশাল জনতা সমর্থিত এবং পাকিস্তানের সাথে এক হয়ে যাওয়ার জন্যে দীর্ঘকাল যাবত লড়াই করছে।

ভারতীয় সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র দাবি করেছে,হিজবুল মুজাহেদীন গেরিলা গ্রুপের অপারেশান কমান্ডার, গাজী নাছিব উদ্দীন ওরফে গুলাম রসুল দার গোলাগুলিতে প্রাণ হারিয়েছে।সে ২০০সনে জুলাই মাসে সরকারের সাথে শান্তি আলোচনায় নেতৃত্ব করেছিলো।আলোচনা ব্যর্থ হয়েছিলো।সে ছিলোসাঈদ সালাউদ্দীনের নেতৃত্বাধীন গ্রুপের দ্বিতীয় নেতা।সাঈদ পাকিস্তানভিত্তিক গেরিলাগ্রুপের কমান্ডার-ইন-চীফ। নাছিব ছিলো সেই গ্রুপের ২য় অধিনায়ক। ফায়াজ আহমেদ দারকেও হত্যা করা হয়েছে,যে ছিলো দলের প্রচার এবং অয়ার্থিক তহবিলের দায়িত্বে।

ফায়াজের অন্য নাম আবিদ। ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্ণেল আধিকারি সাংবাদিকদের বলেছেন, তারা একটি বাড়ীতে অভিযান চালালে ওরা পালটা গুলি ছোঁড়ে।গোলাগুলিতে এই গেরিলারা মারা পড়ে।আসিফ নুমান নামে আলাদা এক গ্রুপের এই নেতা ছিলেন আল বদর বাহিনীর প্রধান।তিনি ও নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে মারা যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।  

ভারতের দখলীকৃত কাস্মীরের অশান্তি বা ভায়োল্যান্স নিরাপত্তাগত নাকি  রাজনৈতিক ইস্যু তা নিয়ে বিতর্ক আছে। ভারত সরকার এবং ভারতীয় বাহিনীর মতে তা নিরাপত্তাগত বিষয়। তাই তারা সামরিক ভাষায় তার সমাধান সন্ধান করে চলেছেন। এই পর্যন্ত বহু বিদ্রোহী এবং নিরাপরাধী কাস্মীরিদের হত্যাকরা হয়েছে,মেয়েদের শ্লীলতা হানি করা হয়েছে,বহু পরিবারকে চিরকালের জন্যে গৃচ্যুত করা হয়েছে।

 এখনো চলছে হত্যা। সর্বশেষ হত্যা করা হয়েছে যে কাস্মীরিকে তিনি তার জাতির স্বাধীনতা আত্নমর্যাদার জন্যে লড়াই করছিলেন এবং এই লড়ায়ে একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন।তার মৃতদেহ নিয়ে লক্ষ জনতার মাতম দেখে তা সহজেই অনুমান করা যায়। এই মিছিল আরো প্রমান করেছে যে জনতাভারতীয় বাহিনীর এই খুনের নিন্দা করছে এবং প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।

দুনিয়ার পরিবর্তনের ধারাকে ইন্ডিয়া কিভাবে দেখছে তার সাথে নিজের বাস্তবতাকে মিলিয়ে দেখতে চাইছে কিনা সেটাও ভাবতে হবে।ভারত ১৯৪৭সনে কাস্মীরের স্বাধীনতার অধিকার কেড়ে নিয়ে অথবা মুসলমান অধ্যুষিত কাস্মীরকে পাকিস্তানের সাথে একত্রিত থাকার পথে সামরিক বাহিনীর জোরেআকস্মিক দখল করে নেয়ার সময় থেকে শুরু হয় কাস্মীরবিবাদ। এতকাল যে সমস্যার কোন সমাধান সম্ভব হয়নি ভারতীয় সামরিক পথে,এই পথ পরিবর্তন করে আলোচনার পথে সমাধান চাইছে কিনা ভারত? ভারত তো নিরাপত্ত পরিষদে স্থায়ী সদস্য হতে চায়।তাকে তো স্বাধীনতা হস্তক্ষেপে চ্যাম্পিয়নহবার চিন্তা ত্যাগ করতে হবে।

গোড়ার কথাঃ কাশ্মীর সংঘাতের ইস্যুটি মূলতঃভারত পাকিস্তানের মধ্যেকার ভৌগোলিক মালিকানার বিষয়।১৯৪৭সন থেকে এই বিবাদ শুরু।প্রতিবেশী সামান্য ভূমিকা এতে যুক্ত হয়েছে মাত্র।তবে দুইদেশ কাশ্মীর নিয়ে ৩বার বড় আকারের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে।১৯৪৭,১৯৬৫ এবং কার্গিলের যুদ্ধ।

১৯৪৭সনে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র ভারতপাকিস্তান তৈরী হলে প্রায়ই ৬৫০টি রাজ্য রাজ্যকে দুটির একটিতে যোগ দেয়ার জন্যে সুযোগ দেয়া হয়েছিলো।কাশ্মীর কোথাও যোগ দেবার সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।কাশ্মীরের রাজা হরি সিং ছিলেন হিন্দু। জনগণ মুসলমান।শাসক সিং নিউট্র্যাল থাকলেন।৬মাসের মাথায়অক্টোবরে পাকিস্তান কাশ্মীরে উপজাতি মুসলমান শাসক প্রেরণ করলে।ওরা রাজধানী শ্রীনগর পৌঁছার পর ভীত মহারাজা সিং ভারতে আশ্রয় নিয়ে অনুরোধ জানান ভারতীয় সেনা বাহিনীর কাশ্মীর অভিযানের জন্যে।

২৬অক্টোবর তিনি কাশ্মীরকে ভারতের সাথে অঙ্গীভূত করার জন্যে চুক্তি সই করেন। ভারতীয় সেনাবাহিনী কাশ্মীরে পৌঁছেই পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।১৯৪৭৪৮সন হচ্ছে এই দুদেশের প্রথম যুদ্ধ।ভারত ১জানুয়ারী জাতিসংঘে্র সমাধান চাইলে ১৩আগষ্ট,৪৮ জাতিসংঘ রেজুলেশনগ্রহন করে এই বিষয়ে।পাকিস্তানভারতকে সেনাবাহিনী ফিরিয়ে নিতে বলা হলে উভয় দেশ তা মেনে নেয়।কাশ্মীরিদের ফ্রি ফেয়ার ইলেকশনের মাধ্যমে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেদেরকে নিতে সিদ্ধান্ত দিয়েছে জাতিসংঘ।

এসময় একটা ইমার্জেন্সী সরকার গঠণ জরুরী হলে প্রভাবশালী জননেতা শেখ আব্দুল্যাহ ৩০ অক্টোবর কাশ্মীরের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন।পাকিস্তান যুদ্ধ অব্যাহত রাখে।উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলে১৯৪৯ সনে ১জানুয়ারীতে তা কার্যকর হয়।১৯৬৫সনে আবার যুদ্ধ বাঁধে এবং ১৯৬৬সনে১জানুয়ারী তাসখন্দ বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী,পাকিস্তানের প্রেসিডেণ্ট আইয়ুব খাঁ চুক্তিবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ থেকে ফিরে যান। শাস্ত্রীর মৃত্যু আইয়ূবের বিদায় পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় ছেদ ঘটালে ১৯৭১সনে ৩ডিসেম্বর ভারত পূর্বপাকিস্তান আক্রমণ করলে ভারতপাকিস্তান ৩য় যুদ্ধ ঘটেযায়।

ভারতের দাবি জম্মু কাস্মীরের পুরো রাজ্যের মালিকানা।যেখানে রাজ্যের ৪৩%তারা শাসনের আওতায় রাখতে পারছে।এর মধ্যে রয়েছে জম্মু,কাস্মীর উপত্যকা,লাদাখ এবং সিয়েচেন গ্লাচিয়ার এলাকা।পাকিস্তানের চাপাচাপি আছে  এই অংশের ৩৭%এলাকার উপর।১৯৬২সনে চীন ভারত আক্রমণ করেডেমচক জেলা,সাক্সগাম উপত্যকা এবং আক্সাই অঞ্চল দখল করে এখনো পর্যন্ত শাসন করছে।আজাদ কাস্মীর উত্তরাঞ্চলীয় বিশাল অংশে পাকিস্তানের কর্তৃত্ব চলছে।

 

ভারত-শাসিত অংশে গণতান্ত্রিক কাঠামো নির্মান না থাকায় সেনাশাসন বলপ্রয়োগএই চলছে শাসন।হাজার হাজার মানুষ মারা হচ্ছে তাতে বিদ্রোহ দমনের অজুহাতে।স্থানীয় স্বায়ত্ব শাসনের ভিত্তি গড়তে বাধা দেয়াতে চলছে ভারত সরকারের সাথে সংঘাত।ধারাবাহিক প্রতিবাদ ও আন্দোলনের মধ্যে একধরণের সংগ্রামী গণতান্ত্রিক চেতনার মধ্যে কাস্মীরি সমাজ লৌহ শৃঙ্খলে বন্দী হয়ে আছে। মানুষের জীবনের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা দমনের লক্ষ্যেই ভারতীয় সেনাবাহিনী লাগাতার শসস্ত্র আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। এভাবেই কাস্মীর ইন্সারজেন্সী চলে আসছে।

কাশ্মীরে পাকিস্তান ভিত্তিক গেরিলা দলের অস্তিত্ব আছে যারা ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে বহুকাল থেকেই।এই গেরিলারা বনাম ভারতীয় সেনা পুলিশের সংঘাত কাস্মীরের নিত্যদিনের জেবন গাঁথা। এই নৃশংসতা ও নিরাপত্তাপত্তাহীনতার রাষ্ট্রীয় রাজনীতির আওতা থেকে মানুষদের মুক্ত করার দায়িত্ব জাতিসংঘের। লস্করই তৈয়বা ও অন্যান্য শসস্ত্র গ্রুপ বনাম ভারতীয় বাহিনীর লড়াই ভারত-পাকিস্তানের আণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিবেশ খুলে দিতে পারে যেকোন সময়।তা থেকে সমগ্র অঞ্চলকে রক্ষা করার দায়িত্বও জাতিসংঘের।              

উল্লেখ্য ২০১৫সনে জম্মুওকাশ্মীর হাইকোর্টের রায়ে বলা আছে কাশ্মীর ভাতের সাথে মিশে যায়নি বা অঙ্গীভূত হয়ে  যায়নি।ভারতীয় শাসনতন্ত্রের ৩৭০ধারা স্থায়ী।এই মতে অন্যান্য প্রিন্সলি শটের মতো কাস্মীর ভারতের অঙ্গরাজ্য হয়ে যায়নি।

আমি ভাবছি অন্যকথা,কাশ্মীরে গণভোট করার সম্মতি দিতে গিয়ে পাকিস্তান ভারতকে বাংলাদেশ দখলে নেবার অনাপত্তি দিয়ে দেয় কিনা?কেননা পূর্বপাকিস্তানীরা বাংলাদেশী হয়েছে এজন্যে পাকিস্তানের প্রতিশোধের ঝাল তো আছেই।তারা একাত্তরে ভারতের সাথে চুক্তি করে উভয় দেশের সেনাবাহিনীআগে পরে বাংলাদেশ লুন্ঠণ করেছে।অধিকন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা একাধারে মেরুদন্ডহীন এবং পরখাউয়া।জনগণ থেকে লুঠে নিজের মুখ মুছে ফেলে পরের উপর দোষ চাপায়, অপরদিকে বিদেশী শত্রুদেরকে নিজের লুন্ঠনের অংশীদার করে ঢোল পিটিয়ে কীর্তন করে চলেছে ঐশত্রুরাইহচ্ছে বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু!ভয়টা ওখানেই।

তা ছাড়া চুরি ডাকাতি করে পুঁজিপতি হওয়া ধনীগুলোর মধ্যে খুব কমই আছে জাতীয় পুঁজিপতি,যাদের ভেতর জাতীয় স্বার্থের গুরুত্ব আছে।এমতাবস্থায় মধ্যস্থতাকারী এবং বিবদমান উভয়পক্ষের দিকে নজর রেখেই ঘটনার প্রতি সংশ্লিষ্টরা মনোযোগী হতে পারি।

(লেখক রাজনৈতিক বিশ্লেষক, চেয়ারম্যান,বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সংসদ,কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল।)

এ রকম আরো খবর

সাড়ে ছয় কোটি রাজাকার

মনজুর আহমদ: বাহাত্তর সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ‘হলিডে’ পত্রিকার একটি বিখ্যাতবিস্তারিত

অনিশ্চিত গন্তব্যে বাংলাদেশ

সামছুল ইসলাম মজনু: দীর্ঘদিন যাবৎ দেশে ছেড়ে প্রবাসে আছি কিন্তুবিস্তারিত

আমার দেখা ২১ আগস্টের ভয়াবহতা

আবুল বাশার নূরু: দৈনিক ‘নতুনধারা’ প্রকাশের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ারবিস্তারিত

  • ভয় নাই, ওরে ভয় নাই
  • ভারতের সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে ধোলাই
  • হিন্দু জঙ্গিদের শসস্ত্র ট্রেনিং এবং………..
  • ভারত আমেরিকা যুদ্ধচুক্তির উত্তপ্ত প্রভাব চীন পাকিস্তানে
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.