র্সবশেষ শিরোনাম

সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

রিপালিকানরা হতাশ: স্কারামুচি ক্ষমতার নতুন বলয়ে : হোয়াইট হাউসে ক্ষমতার লড়াই চরমে

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে ক্ষমতার চরম দ্বন্দ নিয়ে খোদ রিপালিকানদের মধ্যেই দেখা দিয়েছে চরম হতাশা। ‘মেইক আমেরিকা গ্রেড এগেইন’ চেতনায় উজ্জিবিত ছিলেন এমন ট্রাম্প সমর্থকদের মধ্যে এখন বিরাজ করছে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা। এর মধ্যে নতুন হিসেবে যোগ হয়েছে এটর্নী জেনারেলকে জেফ সেশনকে নিয়ে খোদ প্রেসিডেন্টের সমালোচনা, কমিউনিকেশন ডাইরেক্টর হিসেবে এন্থনী স্কাকারামুচির প্রবেশ এবং ওবামা কেয়ার বাতিলের উদ্যোগ বার বার ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া। নর্থ ক্যালোলিনা থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য রবিন হায়েস নিজের হতাশা প্রকাশ করে বলেন, হোয়াইট হাউস থেকে কংগেস সদস্যদের সাথে যেভাবে সমন্বয় রাখা উচিৎ তার কিছুই হচ্ছে না। যার ফলে কংগ্রেস বা আইন পরিষদ এবং হোয়াইট হাউসের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে বিস্তর ফারাক। তিনি বলেন, হোয়াটি হাউসের নতুন কমিউনিকেশন ডাইরেক্টর স্কাকারামুচি যেধরনের ভাষা বা গালগাল দিয়েছেন তা অবিশ্বাষ্য ও দুঃখজনক। ওহিয়ো গভর্নর জন কাসিচও এবিষয়ে নিজের হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, পুরো হোয়াইট হাউসে এক ধরনের অরাজকতা বিরাজ করছে।
সম্প্রতি কিছুদিন ধরে প্রিবাসের পদে শক্তিশালী কাউকে খুঁজে পাওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন ট্রাম্প। তিনি চাইছিলেন এমন কাউকে খুঁজে নিতে, যিনি হোয়াইট হাউস টিমকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন। রায়ান্স প্রিবাসের সঙ্গে ততক্ষণে ট্রাম্পের সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত থেকে তিক্ততায় পরিণত হয়। সম্প্রতি কমিউনিকেশন বিষয়ক পরিচালক পদে ট্রাম্প নিয়োগ দিয়েছেন ওয়াল স্ট্রিটের সাবেক অর্থনীতিবিদ অ্যান্থনি স্কারামুচিকে। কিন্তু ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন রায়ান্স প্রিবাস ও ওই সময়ের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার। স্কারামুচিকে নিয়োগ দেয়ার ঘটনায় পদত্যাগ করেন শন স্পাইমসার। রয়ে যান রায়ান্স প্রিবাস। এর পরের দিনগুলোতে চিফ অব স্টাফ রায়ান্স প্রিবাসের সঙ্গে বাকযুদ্ধে লিপ্ত হন স্কারামুচ্চি। নতুন পদে এসে স্কারামুচি অভিযোগ আনেন যে, রায়ান্স প্রিবাস তার তার আর্থিক বিষয়াদি ফাঁস করেছেন। একই সঙ্গে বলেন, তার বিরুদ্ধে এফবিআইয়ের তদন্ত হবে। দু’জনের মধ্যকার সম্পর্ক প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি ‘কেইন অ্যান্ড অ্যাবেল’ ভাইদের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। বুক অব জেনেসিসে ভাইয়ের আত্মোৎসর্গ সৃষ্টিকর্তার পছন্দ হওয়ায় অ্যাবেলকে হত্যা করে ভাই কেইন।
চিফ অব স্টাফ রায়ান্স ইতোমধ্যেই প্রিবাসকে অপসারণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাস্প। তার পদে বসানো হচ্ছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির মহাপরিচালক জন কেলি’কে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন বিস্ময়কর সিদ্ধান্তের ফলে হোয়াইট হাউসের ভিতরে ক্ষমতার লড়াই এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে নিউ ইয়র্ক থেকে এ কথা লিখেছেন সাংবাদিক এমিলি শুগারম্যান। এতে তিনি আরো লিখেছেন, ট্রাম্প শপথ নেয়ার দিন থেকে গত ৬ মাসে রায়ান্স প্রিবাস সন্তুষ্ট করতে পারেননি ট্রাম্পকে। বিবিসি লিখেছে, ট্রাম্প নতুন কমিউনিকেশন ডিরেক্টর অ্যান্থনি স্কারামুচিকে নিয়োগ দেয়ার পর থেকেই চাপে ছিলেন প্রিবাস। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গণমাধ্যমের কাছে গোপন তথ্য ফাঁস করছেন। এরকম অভিযোগ নিয়ে একটি টুইটও করেছেন স্কারামুচি। তবে দ্রুততার সঙ্গে তা ফেলেছেন তিনি। এরকম প্রেক্ষাপটেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসেছে চিফ অব স্টাফ পদে পরিবর্তনের ওই ঘোষণা। নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ডিরেক্টর জেনারেল জন কেলির নামটি টুইটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। শুক্রবার বিকেলে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি টুইটের মাধ্যমে এই পরিবর্তনের কথা জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলোতে খবর বলা হচ্ছে, বৃহস্পতিবারই প্রেসিডেন্টের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন প্রিবাস। নতুন চিফ অব স্টাফ জন কেলি মেরিন কোর থেকে অবসরপ্রাপ্ত একজন চার তারকা জেনারেল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বর্ণনায় তিনি একজন ‘গ্রেট আমেরিকান’ এবং ‘সত্যিকারের তারকা’। হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, সোমবার থেকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন জেনারেল কেলি। ওয়াশিংটন থেকে বিবিসির একজন সংবাদদাতা বলেছেন, রিপাবলিকান পার্টি ও ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে সর্বশেষ যোগসূত্র ছিলেন রায়ান্স প্রিবাস। তাকে অপসারণের পর এখন ট্রাম্প প্রশাসনে তার অনুগতরা ছাড়া আর কেউ রইলেন না। রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান রায়ান্স প্রিবাস। তার সম্পর্কে নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে দাঁড়াতে ট্রাম্পকে উৎসাহিত করেছিলেন প্রিবাস। এ জন্য তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন ট্রাম্প। এ ছাড়া ট্রাম্পের ‘এক্সেস হলিউড’ টেপ ফাঁস হওয়ায় যাদের ওপর নাখোশ ছিলেন ট্রাম্প সেসব নামের শীর্ষে রয়েছেন প্রিবাস। এ জন্য তার বিরুদ্ধে আলাদা একটি ক্ষোভ রয়েছে ট্রাম্পের মনে। শুক্রবার প্রিবাসকে সরিয়ে দেয়ার ঘোষণা দেয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এক বক্তব্যে তিনি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মহাপরিচালক জন কেলির ভূয়সী প্রশংসা করেন। ট্রাম্প বলেন, আমি জন কেলিকে অভিনন্দন জানাই। তিনি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি হিসেবে অসাধারণ কাজ করেছেন। তিনি আমাদের একজন গ্রেট স্টার। রিপোর্টে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছুদিন ধরে প্রিবাসের পদে শক্তিশালী কাউকে খুঁজে পাওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন ট্রাম্প।

 

এ রকম আরো খবর

সভ্যতার ইতিহাসে ভয়াবহ ক্ষত সৃষ্টিকারী ভয়াল ৯/১১ সোমবার

নিউইয়র্ক: ভয়াল ৯/১১ সোমবার। সভ্যতার ইতিহাসে ভয়াবহ ক্ষত সৃষ্টিকারী ৯/১১বিস্তারিত

‘সুচি বিশ্বাসঘাতকে পরিণত হয়েছেন’

ঢাকা: এক সময় আমি অং সান সুচিকে আমার জীবনের সর্বোত্তমবিস্তারিত

ডাকা বাতির করলেন প্রেসিডেন্ট ড্রাম্প

নিউইয়র্ক: ‘ডেফারড একশন ফর চাইল্ড হুড এ্যারাইভাল’ বা ডাকা বাতিলবিস্তারিত

  • নিউইয়র্কের হাসপাতালে গুলি নিহত ১
  • যুক্তরাষ্ট্রে নাইটক্লাবে গুলি, আহত ১৭
  • জাতিসংঘ মহাসচিবের সাথে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • ব্রিটিশ নির্বাচন: তিন বাঙালী পুনরায় জয়ী : ঝুলন্ত পার্লামেন্টে আবারও সরকার গঠন করছেন থেরেসা মে
  • সেই শার্লি এবডোর বিরুদ্ধে এবার ইতালিতে ক্ষোভ
  • আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ বিশ্বাস করে নি বাংলাদেশ সরকার