র্সবশেষ শিরোনাম

সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন মামলা ॥ হাইকোর্টের রায়ে ১৫ জনের মৃত্যুদন্ড বহাল

ঢাকা: নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত ৭ খুন মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলে ১৫ জনের মৃত্যুদন্ড বহাল রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান আসামি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক)-এর সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাব-১১-এর চাকরিচ্যুত সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মুহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাসুদ রানা। বাকি ১১ জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় থেকে বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রায় পড়া শুরু হয়।
মৃত্যুদন্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন- সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাব-১১-এর সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, সাবেক কোম্পানি কমান্ডার মেজর (অব.) আরিফ হোসেন, লে. কমান্ডার (চাকরিচ্যুত) এম মাসুদ রানা, ল্যান্স নায়েক বেলাল হোসেন, হাবিলদার মো. এমদাদুল হক, আরওজি-১ আরিফ হোসেন, ল্যান্স নায়েক হিরা মিয়া, সিপাহি আবু তৈয়ব, কনস্টেবল মো. শিহাব উদ্দিন, এসআই পূর্ণেন্দু বালা, সৈনিক (চাকরিচ্যুত) আবদুল আলিম, সৈনিক (বরখাস্ত) মহিউদ্দিন মুন্সি, সৈনিক (চাকরিচ্যুত) আল আমিন শরিফ ও সৈনিক (চাকরিচ্যুত) তাজুল ইসলাম। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আসামি মহিউদ্দিন মুন্সি, আল আমিন শরিফ ও তাজুল ইসলাম পলাতক।মৃত্যুদন্ডের সাজা কমে যাদের যাবজ্জীবন হয়েছে তারা হলেন- সৈনিক আসাদুজ্জামান নুর, সার্জেন্ট (চাকরিচ্যুত) এনামুল কবীর, নূর হোসেনের সহযোগী মুর্তুজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান দিপু অরফে মিজান, মো. রহম আলী, মো. আবুল বাসার, সেলিম, মো. সানাউল্লাহ ওরফে ছানা (পলাতক), ম্যানেজার শাহজাহান (পলাতক) ও জামাল উদ্দিন। এ মামলার ৩৫ জন আসামির মধ্যে হাইকোর্ট আজ ১৫ জনের মৃত্যুদন্ড বহাল, ১১ আসামির সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং বাকি ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিচারিক আদালতের দেয়া কারাদন্ড বহাল রেখে রায় দিয়েছে।
এর আগে গত ২৬ জুলাই রায় ঘোষণার জন্য ১৩ আগস্ট দিন ধার্য করে আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এরপর ১৩ আগস্ট আদালত রায় না দিয়ে তারিখ পিছিয়ে আজ (২২ আগস্ট) রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেন।
গত ২২ মে এ মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর হাইকোর্টের শুনানি শুরু হয়। প্রথমে বেশ কয়েকদিন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন করেন। পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম তার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
গত ১৬ জানুয়ারী সাত খুন মামলার রায় দেন নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন। মামলার প্রধান আসামি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন ও র‌্যাবের বরখাস্তকৃত তিন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাসুদ রানাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদন্ড দেন আদালত। এ মামলার ৩৫ আসামির মধ্যে বাকি ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেন আদালত।
সাজাপ্রাপ্ত ৩৫ আসামির মধ্যে ১২ জন পলাতক। গ্রেফতারকৃত ২৩ জনের মধ্যে ১৮ জনকে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে ও পাঁচজনকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ২৬ জনের মধ্যে গ্রেফতার ও আত্মসমর্পণ করে কারাগারে থাকা ২০ জন নিয়মিত জেল আপিল করেছেন।
তারা হচ্ছেন- প্রধান আসামি নাসিকের সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাব-১১-এর চাকরিচ্যুত সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মুহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাসুদ রানা, হাবিলদার মো: এমদাদুল হক, ল্যান্সনায়েক বেলাল হোসেন, সিপাহী আবু তৈয়্যব আলী, কনস্টেবল শিহাব উদ্দিন, এসআই পূর্ণেন্দু বালা, সিপাহী আসাদুজ্জামান নূর, সৈনিক আবদুল আলীম, সার্জেন্ট এনামুল কবির, ল্যান্স নায়েক হীরা মিয়া ও আরওজি-১ এ বি মো. আরিফ হোসেন এবং নূর হোসেনের ৬ সহযোগী মূর্তজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান দিপু, আবুল বাশার, রহম আলী ও জামাল উদ্দিন সরদার।
পলাতক ৬ আসামি আপিল করেননি। তারা হলেন- র‌্যাব-১১-এর চাকরিচ্যুত সৈনিক মহিউদ্দিন মুন্সী, সৈনিক আলামিন শরীফ ও সৈনিক তাজুল ইসলাম এবং নূর হোসেনের তিন সহযোগী ভারতে গ্রেফতারকৃত সেলিম, সানাউল্লাহ সানা ও শাহজাহান।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নাসিক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। তিনদিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে ছয়টি লাশ। পরদিন মেলে আরেকজনের লাশ। নিহত অন্যরা হলেন নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো: ইব্রাহীম।
ঘটনার একদিন পর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা (পরে বহিষ্কৃত) নূর হোসেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।

এ রকম আরো খবর

পবিত্র হিজরী নববর্ষ শুরু : ১ অক্টোবর আশুরা 

ঢাকা: নতুন আরবী নববর্ষ, হিজরী ১৪৩৯ সাল ২২ সেপ্টেম্বর শুক্রবারবিস্তারিত

মৃত্যুর আগে ভ্যাকসিনের সন্ধ্যান চেয়ে সাপে কাটা শিক্ষিকার ফেসবুকে স্ট্যাটাস

হাবিব খান, টাঙ্গাইল: সাপের কামড়ে আহত অবস্থায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একবিস্তারিত

অবকাশে প্রধানমন্ত্রী ভার্জিনিয়ায়

নিউইয়র্ক: প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এখনবিস্তারিত

  • বিএনপি’র সাথে কোন আলোচনা নয় : নিউইয়র্কে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
  • জাতিসংঘে শেখ হাসিনা : রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান
  • রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন চাইবেন প্রধানমন্ত্রী
  • শিশুর শিরচ্ছেদ, জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গুলি, আগুন:এক সপ্তাহে আশ্রয় নিয়েছে ৭৩ হাজার : বাংলাদেশ সীমান্তে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ঢল
  • জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে ড. ইউনূসের খোলা চিঠি
  • কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ১৯০তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত
  • ময়মনসিংহে দেশের একাদশ শিক্ষাবোর্ড
  • কণ্ঠশিল্পী আবদুল জব্বার আর নেই
  • সাংবাদিকতায় আতাউর রহমান আতা এক জীবন্ত কিংবদন্তী
  • আজ ভয়াল একুশ আগস্ট
  • চার দেশে নতুন রাষ্ট্রদূত ॥ নিউইয়র্কের শামীম আহসান মরিশাসে