র্সবশেষ শিরোনাম

বুধবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৭

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

ভারত আমেরিকা যুদ্ধচুক্তির উত্তপ্ত প্রভাব চীন পাকিস্তানে

আবু জাফর মাহমুদ: ভারত- আমেরিকা  ১০ বছর মেয়াদী প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়ে গেছে।বদলে গেছে পঞ্চাশ দশকে হওয়া ভারত ও পাকিস্তানের সাথে সোভিয়েট ইউনিয়ন ও আমেরিকার মিত্রতার প্রেক্ষাপট। রাশিয়া ভারতের সাথে সম্পর্ক থাকা স্বত্তেও পাকিস্তানের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে।পাকিস্তানের সাথে প্রতিরক্ষাচুক্তি থাকা স্বত্তেও ভারতের সাথে চুক্তি করলো আমেরিকা।বৈশ্বিক চাহিদার বাস্তবতায় প্রতিপক্ষের মোকাবেলায় বিশ্বশক্তি এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলো নিজ নিজ মিত্রতা গড়ে তুলেছে। 

আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব এস কার্টার এবং ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর দস্তখত করেছেন চুক্তিতে।এই বছরের জানুয়ারীতে  ওয়াশিংটনে প্রেসিডেণ্ট ওবামার সাথে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকের ধারাবাহিকতায় হয়েছে এই চুক্তি স্বাক্ষর।ওবামার চালু করা নীতিEverybody Wins,Everybody Rises” র ভিত্তিতে চুক্তি করেছে তার প্রশাসন। মোদী সরকারের রয়েছে বিশ্বব্যাপী ভারতের সম্পর্ক বাড়ানোর নীতি।উভয় রাষ্ট্র নিজেদের অতীতের তিক্ততার দেয়াল উপড়ে ফেলেছে।সোভিয়েট ইউনিয়ন-আমেরিকার প্রতিযোগীতার যুগে কংগ্রেস সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে জোটকরেছিলো।ভারতের ভিজেপি মার্কিণ শক্তির আনুকল্যে নিজেদেরকে নিরাপদ করার কৌশলে বিশ্বাসী। তাছাড়াও রাশিয়া-চীনের ঘনিষ্ঠ জোটবদ্ধতার প্রেক্ষিতে ভারতের নীতি নির্ধারকরা আমেরিকাকেই অধিক নিরাপদ মিত্ররূপে বাছাই করতেই পারে।

যাহোক,মার্কিণ ডিফেন্স সেক্রেটারী ভারতে কেবলমাত্র প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বা চুক্তি সম্পাদন করেছেন,তা নয়।তিনি বিদেশ মন্ত্রী সুসমা স্বরাজ এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোবালের সাথেও আলাদা করে মিটিং করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীর সাথে দেখা করে কথাবলেছেন। তাছাড়াও ইতিহাসের আরেকটি নয়া ঘটনা করেছেন।মার্কিণ ডিফেন্স সেক্রেটারীদের প্রথম ব্যক্তি হলেন,যিনি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় মিলিটারী অপারেশানেল কম্যান্ড সদর দপ্তর দ্য ইষ্টার্ণ নেভাল কমান্ড পরিদর্শন করেছেন- ভিসাকাপাটনামে।

বহুদিন যাবত হচ্ছে হচ্ছেনা করতে করতে অবশেষে ওবামা প্রশাসনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা কার্যকর হয়ে গেলো। ফলে উত্তেজনার হাওয়া এখন এশিয়া মহাদেশ জুড়ে।চীন-পাকিস্তানের চাপের মুখে রাশিয়ার দীর্ঘকালীন প্রতিরক্ষা মৈত্রীর দিক থেকে  ভারত মুখ ফিরিয়ে নিলো আমেরিকার দিকে। ফ্যাক্টরহচ্ছে নয়া বিশ্বশক্তি চীন।আমেরিকা শক্ত অবস্থান নিচ্ছে ভারত মহাসাগর প্রশান্তমহাসাগরেযুদ্ধজাহাজের ৬০% শতাংশের বেশী তারা এখানেই মোতায়েন করতে চলেছে।মোদীকে ক্ষমতায় তুলে আনা এবং কংগ্রেসকে শুন্য থালে বিদায় দেয়ার পেছনে ছিলো অনেক বড় হিসেব নিকেশ।আমেরিকাচূড়ান্তভাবেই বিজয়ী হয়েছে ওবামা প্রশাসনের কূটনীতিতে।ভারতও এতে বিজয়ী হয়েছে।উভয়ের এতে হয়েছে অগ্রগতি।      

প্রতিরক্ষা চুক্তির পাশাপাশি এই ভারত-আমেরিকার চুক্তিতে ভারসাম্য দেখা যাচ্ছে বলে অনেকের ধারণা।তবে মহাদেশীয় শক্তি চীন আত্নরক্ষার বিষয়ে সচেতনতা দেখানো শুরু করেছে।তার সামরিক শক্তির বিশাল সমাবেশ এনেছে তিব্বতে ভারতীয় সীমান্তে।জম্মু-কাশ্মির সীমান্তের রাজৌরিতেনিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে গুলিতে এক ভারতীয় সেনা নিহত এবং অপর একজন আহত হয়েছেন।এদিকে ৩০  আগষ্ট মঙ্গলবার রাতে এক সংঘর্ষে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে।চীনের আঞ্চলিক প্রধান মিত্র পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল রাহেল ইতিমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কড়া ভাষাব্যবহার করার খবর এসেছে।  

এদিকে হিমালয় অঞ্চলে ভারতীয় সৈন্য সমাবেশ করেছে ভারত।তার প্রতিবাদ করেছে চীন।চীন তার অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের স্টিলথ ফাইটার বসিয়েছে তিব্বত এয়ার পোর্টে, সমতল ভূমি থেকে চৌদ্ধ হাজার মাইল উপরে। ভারতের স্টিলথ ফাইটার জেট নেই।তবে তা কেনার জন্যে ভিয়েতনামের সাথেকথা  বলেছেন  প্রধানমন্ত্রী মোদী।ভিয়েতনাম আমেরিকার প্রতিরক্ষা অংশীদার।

ভারত-রাশিয়ার ফিফ্‌থ জেনারেশান ফাইটার এয়ারক্র্যাফটগুলো(FGFA) ভারতীয় বিমান বাহিনী ও ইন্ডিজিনাস এডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটে(AMCA)ব্যবহার উপযোগীতার তূলনায় অনেক বছরের পেছনে রয়েছে।

সেই তূলনায় চীনের সুপারসনিক Chengdu J-20 দ্বৈত ইঞ্জিন ফাইটারটি স্টিলথ বৈশিষ্ট্যের। যা রাডারের সাহায্যে নিজেকে অদৃশ্য  করতে বা দৃষ্টি বহির্ভূত রাখতে সক্ষম।এটি প্রচলিত ফাইটার জেটগুলোকে আক্রমণ করার অনেক বাড়তি সুযোগ রাখেএটা রাডার ট্র্যাক করতেও সক্ষম।এই ফাইটারটিতেনয়া নয়া বৈশিষ্ট্য সংযোজন চলছে অনবরত২০১১সনের পর থেকে এর সক্ষমতা বাড়ানো চলছে রীতিমতো।       

ভারত ও আমেরিকার মধ্যে সই হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তির তীব্র বিরোধিতা করলো সিপিআই(এম)। দলটির পলিটব্যুরোর পক্ষ  থেকে ওই চুক্তির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে,এ ধরণের চুক্তি করে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং সামরিক স্বাধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে মোদি সরকার।ভারতে ১২ দফা দাবিতেদেশব্যাপী ধর্মঘট ডেকেছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলো। দিল্লীওয়াশিংটন কোলাকুলির প্রকাশ্য  দৃশ্যের প্রতিক্রিয়ায় সেপ্টেম্বরের শুরুতেই ভারতে আভ্যন্তরীণ সংঘাতে গতি বাড়ছে। ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিল এবং সড়ক অবরোধ করলে  সিপিএম নেতা  ও শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্যসহঅন্যদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

 লজিষ্টিক এক্সচেঞ্জ মেমোরান্ডাম অব এগ্রিমেন্টবা এলইএমওএ নামের এই চুক্তির আওতায় আমেরিকা এবং ভারত পরস্পরের সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করতে পারবে।এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকানো এবং সন্ত্রাসবাদ দমনের উদ্দেশ্যে এইসব সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করা হবে।  

সেক্রেটারী অব ষ্টেট জন কেরির ভারত সফর ছিলো আমেরিকার প্রতিরক্ষার এক বিস্ময়কর ধাপ।ওবামা সরকারের  মেয়াদের শেষ পর্যায়ে তাদের এই কূটনৈতিক সফলতার গুরুত্ব অনেক।চীনের সকল প্রতিবেশীর সাথে আমেরিকার প্রতিরক্ষা মিত্রতা আছেই।রাশিয়ার বিশেষ মিত্র ভারতকে পেতে দেরীহয়েছে কংগ্রেসের আপত্তির কারণে।ভিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদীকে উত্থান ঘটিয়ে আমেরিকা দিল্লীকে পকেটে নিতে সক্ষম হলো।এতে পাকিস্তান ভারত উভয়েই আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিষয়ে স্থানীয় অংশীদার হয়ে গেলো।  

দিল্লীর পথে বাংলাদেশে সেক্রেটারী অব ষ্টেট জন কেরির কয়েক ঘণ্টার অবস্থানের আলাদা শানেনযুল আছে।মিঃ কেরি তার একজন স্নেহধন্য বাঙালির অনুরোধে যাত্রাবিরতি  করেছিলেনযাকে হাসিনা জয় ইদানিং কাছে পেয়েছেন আবার।তাকে ব্যবহার করা হয়েছে যাতে হাসিনা সরকারের ইমেজেকিছুটা রঙ লাগে।কিন্তু সি আই এর এক অবসর নেয়া এজেন্ট সুযোগটাকে ব্যবহার করে ফেলেছেন ঝটফট করে।মার হজম করতে করতে হামাগুড়ি দেয়া বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাথে মার্কিণ নেতার সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন আমেরিকান দূতাবাসের গোপন কক্ষে।যাতে অবাক হয়েছেদিল্লী,বিস্মিত হয়েছে ঢাকা।নিশ্ছিদ্র গোপনীয়তার জন্যে বাংলাদেশে ভারতীয় কর্তৃত্বের বাহিরে কোথাও যায়গা নেই আপাততঃ।তাই,বৈঠক হয়েছে দূতাবাসে।আমেরিকার নেতারা আমেরিকার স্বার্থের নিরীখেই বিদেশে কাজ করেন।   

যাহোক, ঢাকা সফরটি পূর্ব পরিকল্পিত থাকার দরকার ছিলোনা,যেখানে দিল্লীর নির্দ্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার হয়েছে এবং সরকারের অঙ্গিকার দিল্লীর আদেশ নির্দ্দেশ হেফাজত করা।আমেরিকা বাংলাদেশ ভোগ করার জন্যে ভারতকে ছাড় দিয়ে আসছে।বাংলাদেশী রাজনীতিক সেনা অফিসারদেরম্যানেজ করে দিল্লী ঠিকই তার সম্প্রসারণ ক্ষমতার   মুন্সিয়ানা প্রমাণ করেছে।তাতে আমেরিকা বিরোধীতা করতে পারতো।বরঞ্চ ভারতের এই সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ার ধাপে ধাপে আমেরিকার আছে রহস্যজনক সহযোগীতা।আমেরিকা এক হাতে কাজ করেনা।বাংলাদেশের রাজনীতিকরা যেহেতু নিজকেন্দ্রিকএবং বক্তৃতাবাগিস।তাদেরকে ব্যক্তিগত পারিবারিক স্বার্থের বিনিময়ে কেনাকেটা করেই বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাজনীতিকে যাচ্ছেতাই করা সম্ভব,তাই করা হয়েছে  

মার্কিণ যুদ্ধজাহাজ,মার্কিণ সেনাবাহিনী ভারতকে যুদ্ধে ব্যবহার করবে শত্রুর বিরুদ্ধে।বাংলাদেশের টেকনাব থেকে ২০ মাইল ভূখন্ডের মালিকানা দলিল আমেরিকাকে হস্তান্তর করা হবার খবর নিশ্চিত করেছে  গোয়েন্দা সূত্র।কক্সবাজারের কুতুবদিয়া আমেরিকার  দরকার।সোনাদিয়ায় চীনের মাধ্যমে গভীরসমুদ্রবন্দর বানানোর নামে যারা তালবাহানা করেছেন এতোদিন,তারা তা করেছিলো ভারতকে দিয়ে করিয়ে আখের গোছানোর জন্যে। এখন তারা  নিশ্চয়ই বাধ্যতামূলক পরিস্থিতির চাপে পড়েছে।আমেরিকা মনে করে এই সমুদ্রবন্দর করার যোগ্যতা ভারতের নেই।আমেরিকাই তা করবে।আমেরিকার এই পরিকল্পনা প্রেসিডেন্ট বুশের জমানা থেকে।গোপনীয়তা রক্ষার লক্ষ্যে গভীর সমুদ্র বন্দরের ফাইলটি সহ এই অঞ্চলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি প্রেসিডেন্ট ওবামা ব্যাক্তিগতভাবে দেখেন বলে খবর ছিলো তার হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব নেবার পর থেকে।  

আমেরিকান সংবাদ মাধ্যম বলেছে,প্রেসিডেণ্ট ওবামা চীনের উত্থানকে সামাল দেয়ার লক্ষ্যে যা নীতি নিয়েছেন তারই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এই চুক্তি হয়।মার্কিণ সংবাদ মাধ্যম বলছে,ভবিষ্যতে আমেরিকার ৬০% যুদ্ধজাহাজ ভারত মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগরে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিণনৌবাহিনী।

এদিকে ভারতের আভ্যন্তরীণ অসঙ্গতির চেহারা প্রকাশ্যে আসছে দ্রুতগতিতে।ভারতের প্রধান সংবিধান স্থপতি এবং প্রথম আইনমন্ত্রী ডঃ বি আর আম্বেদকরের নাতি প্রকাশ আম্বেদকর বলেছেন, বিজয়াদশমীর দিন যে অস্ত্র আর.এস.এসের পক্ষ থেকে প্রদর্শন করা হয়েছিলো, তা ব্যবহার করা হয়েছিলোদলিত মুসলমানদের বিরুদ্ধে।পহেলা সেপ্টেম্বর বুধবার রাজকোর্টে দলিতদের এক বিশাল সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ভারতে সরকারের মদদে পৃষ্টপোষকতায় বেড়ে ওঠা এই জঙ্গিত্ব ভারতীয় সমাজের ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত হয়ে যাওয়ায় বিপদ বাড়ছে দ্রুত।সেজন্যে জঙ্গিত্বের প্রতিরোধে ঐক্যের বিকল্প নেই।মোদীকে আমেরিকা নিষিদ্ধ করেছিলো গুজরাটে মুসলমান নিধনের অপরাধে।তাকেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদেআনা হয়েছে মার্কিণ প্রয়োজনে।মোদীর ভবিষ্যত গতিপথের চেহারা রক্তের রঙে রঙিন বলেই আমাদের ধারণা।

এ রকম আরো খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী এক মেধাবী ছাত্রকে গুলি করে হত্যা

ক্যানসাস: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস রাজ্যের উচিটা শহরে শনিবার রাতে বাংলাদেশী তরুণবিস্তারিত

লেবাননে হস্তক্ষেপের হাত আটকে গেছে কি?

আবু জাফর মাহমুদ: কাতারের সঙ্গে যে আচরণ করছে লেবাননের সঙ্গেবিস্তারিত

মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতির নয়া অধ্যায়

লেবাননের প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করিয়ে খুশীর চোটে যে হাসি হাসতে ইসরাইলিবিস্তারিত

  • প্রসঙ্গ রোহিঙ্গা : অভিশাপ না আর্শিবাদ
  • সাড়ে ছয় কোটি রাজাকার
  • অনিশ্চিত গন্তব্যে বাংলাদেশ
  • আমার দেখা ২১ আগস্টের ভয়াবহতা
  • ভয় নাই, ওরে ভয় নাই
  • ভারতের সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে ধোলাই
  • হিন্দু জঙ্গিদের শসস্ত্র ট্রেনিং এবং………..
  • কাস্মীরে সহিংসতা নিরসনে জাতিসংঘ মধ্যস্থতাকারী হচ্ছে
  • error: Content is protected !! Please don\'t try to copy.