র্সবশেষ শিরোনাম

রবিবার, আগস্ট ২০, ২০১৭

বাংলা পত্রিকা

Main Menu

সপ্তাহের শুরুতে সম্পূর্ণ নতুন সংবাদ নিয়ে

পর্যটকমুখর ইনানী

সাগরকন্যা ইনানী সি-বিচ ভ্রমণপিপাসু পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। ঈদের টানা দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য পর্যটক সমুদ্রকন্যা ইনানী বিচে ছুটে এসেছেন। দূরদূরান্ত থেকে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ইনানী বিচে ভ্রমণপিপাসুরা এলেও আনন্দের পাশাপাশি ভোগান্তির শিকারও হতে হচ্ছে বলে পর্যটকদের অভিযোগ। তাছাড়া বিচে যত্রতত্র বিচরণকারী বিচবাইকের উৎপাতসহ বখাটে শ্রেণির তৎপরতা থাকলেও চোখে পড়ার মতো কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন পর্যটকরা। ইনানী বিচের প্রবেশপথে স্থানীয় কিছু যুবক দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকদের গাড়ি থেকে গাড়ি পিছু ১০০-২৫০ টাকা হারে চাঁদা হাতিয়ে নিচ্ছে। নিরাপত্তা দেয়ার কথা বলেও সুবিধাবাদী একশ্রেণির প্রভাবশালী লোক পর্যটকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। এ নিয়ে পর্যটকদের সঙ্গে চাঁদাবাজদের তর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। উক্ত বিচে টয়লেট, বাথরুম, চেঞ্জিং রুম, নিরাপত্তা ইত্যাদি সুযোগ সুবিধা না থাকায় পর্যটকদের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের তড়িঘড়ি ইনানী বিচ দর্শন অপূর্ণ রেখেই বিচ ত্যাগ করে গন্তব্যস্থলে ফিরে যেতে দেখা গেছে। ইনানী বিচে কোনো স্বেচ্ছাসেবক বা টুরিস্ট পুলিশের অথবা অন্য কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকদের জিনিসপত্র ও মালামাল চুরি হওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। তবে ইনানী বিচের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৪ জন টুরিস্ট পুলিশ থাকলেও তারা যথাযথ দায়িত্ব পালন না করে স্থানীয় বাজারে লোকজনের সঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা যায়। বগুড়া থেকে আসা জেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা মির হোসেন চম্পল (৩৫) বলেন, পর্যটন স্পটে একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ থাকার কথা থাকলেও কিন্তু ইনানী বিচে কোনো ধরনের পরিবেশ নেই। অথচ ইনানী বিচ কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন ও অন্যান্য দর্শনীয় স্থানের চেয়ে খুবই আকর্ষণীয়। গাজীপুর থেকে আসা পর্যটক দম্পতির মিসেস জেনী রহমান জানান, ইনানীতে সুযোগ সুবিধার অভাবে তারা কক্সবাজার শহরের আবাসিক হোটেলে উঠেছেন। সেখান থেকে ইনানী বিচ দেখার জন্য এলেও এখানে কোনো নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকায় তাদের কাপড়চোপড় ও অন্যান্য মূল্যবান মালামালের নিরাপত্তার অভাবে ইনানীর দর্শনীয় স্থানগুলো উপভোগ না করেই তড়িঘড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে। সেখানে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত টুরিস্ট পুলিশ বা স্থানীয়ভাবে প্রশাসনের উদ্যোগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা। ঢাকা থেকে আসা একটি মহিলা কলেজের কয়েকজন ছাত্রী জানালেন, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, কক্সবাজার বিচ ও অন্যান্য দর্শনীয় স্থানে কোনো চাঁদা দিতে না হলেও ইনানী বিচে তাদের মাথাপিছু ১০ টাকা হারে এবং তাদের বহন করা মাইক্রোবাস পার্কিংয়ের জন্য ১০০ টাকা, মিনিবাস ২০০ টাকা ও বড় বাসকে ৩০০ টাকা হারে চাঁদা দিতে হচ্ছে। ইনানী বিচের গাড়ি পার্কিং ইজারাদার নুরুল আমিন সিকদার বলেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেয়া নীতিমালার বাইরে অতিরিক্ত কোনো টোল আদায় হচ্ছে না এবং যারা আদায় করছে তাদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া বিচবাইক থেকে চাঁদা আদায়ের কথাও তিনি অস্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে নীতিমালা অনুযায়ী টোল আদায় করা হচ্ছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে। কেউ চাঁদা নিয়ে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ রকম আরো খবর

চার দেশে নতুন রাষ্ট্রদূত ॥ নিউইয়র্কের শামীম আহসান মরিশাসে

বাংলা পত্রিকা ডেস্ক: গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ইউরোপ ও এশিয়ায়বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক আসছেন ১৮ সেপ্টেম্বর

বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বাংলাদেশেরবিস্তারিত

আমাকে সরাতে বঙ্গভবনেই ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের ইনফরমার

ঢাকা: রাষ্ট্রপতি পদে নিজের ইস্তফা দেওয়া নিয়ে মুখ খুললেন বিকল্পধারাবিস্তারিত

  • ‘সব ধর্ম-বর্ণের সৌহার্দ্য-সম্প্রীতিই হচ্ছে বিশ্ব মানবতা’
  • যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত গ্রন্থে বিশ্বনেতাদের অন্যতম শেখ হাসিনা
  • ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট পাস
  • চাউলের চালানে বিষাক্ত পোকামাকড়ের সন্ধান : যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানীর শীর্ষে থাইল্যান্ড : বাংলাদেশী চাউল নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই
  • মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর